পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি অদ্ভুত সুন্দর ভূবৈচিত্র সম্পন্ন জেলা হল বাঁকুড়া। জঙ্গলমহলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে এই জেলায়, রয়েছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর, মাটির বাঁধ মুকুটমনিপুর এবং জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ ঘন জঙ্গল। বাঁকুড়া জেলার একটি বড় অংশ আদিবাসী অধ্যুষিত। বাঁকুড়া রাঢ় বাংলার একটি অংশ এবং যার প্রভাব দেখা যায় উচ্চারণে "ড়" এর ব্যবহারে। মাটির ভূপ্রকৃতি লাল হওয়ার কারনে এই জেলাকে লাল মাটির জেলা বলে। বাঁকুড়া জেলায় ঘুরে দেখার জায়গা রয়েছে বিষ্ণুপুর, শুশুনিয়া পাহাড়, মুকুটমণিপুর, বড়দি পাহাড় ইত্যাদি। বাঁকুড়ার হেরিটেজ তকমা পাওয়া মিষ্টি গুলির মধ্যে অন্যতম হল বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু। বাঁকুড়ায় রয়েছে বহু ছোট বড় হস্তশিল্প যেমন ডোকরা, টেরাকোটা।

দিলীপ বলেন, ‘‘অনেক কমিটি হয়েছে আমি তো জানি না। নির্বাচনের বিভিন্ন কমিটি হবে। আমি পুরোপুরি তৈরি৷ তা জানিয়েছি সভাপতিকে। যাঁরা বলছিল দিলীপ তৃণমূলে যাবে তাঁরা আবার নতুন কিছু ভাবুন, নতুন গল্প বানান৷ নতুন কেউ দলে এলে তাকে শিখতে হয়, পার্টি বুঝলেই হল। আমার কাউকে বোঝানোর নেই৷ মাঠে ঘাটে লড়াই করেছি, বিস্তার হয়েছে পার্টির৷ আমি এভাবে কাজে থাকতেই পছন্দ করি৷’’ দিলীপ ঘোষের সক্রিয় হওয়ার প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘দিলীপ ঘোষ কৈশোর থেকেই এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে৷ তিনি এতদিন বসেছিলেন না তো, রণকৌশল তৈরি করছিলেন। তিনি কখন মাঠে নামবেন সেটা পার্টি ঠিক করে। দিলীপ ঘোষ একইভাবে মাঠ জুড়ে খেলবে, তিনি বাড়িতে বসে থাকার লোক নয়৷ ১৩ জানুয়ারি শুধু নয় আরও কিছু সভা রয়েছে আমার। দিলীপ ঘোষ থাকতে পারেন।’’






করুণাময়ী এবং ধর্মতলা থেকে পাওয়া যায় সরকারি বাস।
কলকাতা থেকে বাঁকুড়া আসতে গেলে আসা যায় ট্রেনে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরলে দূরত্ব ২৩০ কিলোমিটার। রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন।