advertisement

Elephant Rescue: ভোর থেকে হাতির তাণ্ডব গ্রামে, অতিকায় দাঁতালকে ক্রেনে ঝুলিয়ে সরিয়ে নিয়ে গেল বন দফতর! অভিযান দেখে শিউড়ে উঠবেন

Last Updated:
Bankura Elephant Rescue: দাঁতালকে ক্রেনের সাহায্যে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেল বন দফতর। গ্রামে ঢুকে বাড়ি ভাঙচুর ও হামলা চালিয়েছে হাতিটি। যে কারণে তীব্র আতঙ্কে ছিলেন গ্রামবাসীরা। মানুষের ভিড়ে হাতিটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বলে অনুমান।
1/6
ঘুমপাড়ানি গুলি দিয়ে কাবু করার পর অতিকায় দাঁতাল হাতিটিকে ক্রেনের সাহায্যে ঝুলিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেল বন দফতর। এমন বিরল দৃশ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় বাঁকুড়ার জয়পুরের রাউখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন জামদিগরি রাজার বাগান ও রাউতখণ্ড এলাকায়। ভোর থেকে ওই দলছুট দাঁতাল হাতির তাণ্ডবে আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন গ্রামবাসী। পাশাপাশি একটি গরুর মৃত্যুর খবরও মিলেছে। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
ঘুমপাড়ানি গুলি দিয়ে কাবু করার পর অতিকায় দাঁতাল হাতিটিকে ক্রেনের সাহায্যে ঝুলিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেল বন দফতর। এমন বিরল দৃশ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় বাঁকুড়ার জয়পুরের রাউখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন জামদিগরি রাজার বাগান ও রাউতখণ্ড এলাকায়। ভোর থেকে ওই দলছুট দাঁতাল হাতির তাণ্ডবে আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন গ্রামবাসী। পাশাপাশি একটি গরুর মৃত্যুর খবরও মিলেছে। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে আচমকাই একটি দাঁতাল হাতি গ্রামে ঢুকে পড়ে। হঠাৎ হাতিকে দেখতে পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। গ্রামবাসীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয় এবং বহু মানুষ হাতিটিকে দেখতে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ভিড় জমায়। এই ভিড়ের কারণেই পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছে বন দফতর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে আচমকাই একটি দাঁতাল হাতি গ্রামে ঢুকে পড়ে। হঠাৎ হাতিকে দেখতে পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। গ্রামবাসীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয় এবং বহু মানুষ হাতিটিকে দেখতে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ভিড় জমায়। এই ভিড়ের কারণেই পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছে বন দফতর।
advertisement
3/6
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে একটি বাড়িতে। সেখানে একসঙ্গে বসে ছিলেন বাবা ও মেয়ে। আচমকাই বাড়িতে ঢুকে পড়ে দাঁতাল হাতিটি এবং সামনে পেয়ে দুজনকেই আঘাত করে। এরপর মাঠে থাকা এক ব্যক্তিকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে ছুড়ে আছাড় মারে হাতিটি। পরপর আরও কয়েকজনকে আক্রমণ করে সে। সব মিলিয়ে হাতির হানায় মোট ছয়জন আহত হন।
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে একটি বাড়িতে। সেখানে একসঙ্গে বসে ছিলেন বাবা ও মেয়ে। আচমকাই বাড়িতে ঢুকে পড়ে দাঁতাল হাতিটি এবং সামনে পেয়ে দুজনকেই আঘাত করে। এরপর মাঠে থাকা এক ব্যক্তিকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে ছুড়ে আছাড় মারে হাতিটি। পরপর আরও কয়েকজনকে আক্রমণ করে সে। সব মিলিয়ে হাতির হানায় মোট ছয়জন আহত হন।
advertisement
4/6
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বন দফতর এবং জয়পুর থানার পুলিশ। প্রথমে হাতিটিকে জঙ্গলের দিকে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এলাকায় প্রচুর মানুষের ভিড় থাকায় হাতির চলার পথে বাধা তৈরি হয়। ফলে ক্রমশ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে হাতিটি এবং পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বন দফতর এবং জয়পুর থানার পুলিশ। প্রথমে হাতিটিকে জঙ্গলের দিকে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এলাকায় প্রচুর মানুষের ভিড় থাকায় হাতির চলার পথে বাধা তৈরি হয়। ফলে ক্রমশ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে হাতিটি এবং পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
advertisement
5/6
অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন দফতর ঘুমপাড়ানি গুলি ব্যবহার করে। একাধিকবার ঘুমপাড়ানি গুলি লাগার পর বিশালাকৃতির হাতিটি ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর নিরাপত্তার স্বার্থে হাতিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন দফতর ঘুমপাড়ানি গুলি ব্যবহার করে। একাধিকবার ঘুমপাড়ানি গুলি লাগার পর বিশালাকৃতির হাতিটি ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর নিরাপত্তার স্বার্থে হাতিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
advertisement
6/6
পরে ক্রেনের সাহায্যে ঘুমন্ত অবস্থায় অতিকায় হাতিটিকে ঝুলিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেন এলাকায়। বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বন বিভাগের ডিএফও অভিজিৎ কর জানান, মানুষের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণেই হাতিটিকে জঙ্গলে ফেরানো কঠিন হয়ে পড়েছিল, তাই শেষ পর্যন্ত ঘুমপাড়ানি গুলি ব্যবহার করতে হয়। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
পরে ক্রেনের সাহায্যে ঘুমন্ত অবস্থায় অতিকায় হাতিটিকে ঝুলিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেন এলাকায়। বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বন বিভাগের ডিএফও অভিজিৎ কর জানান, মানুষের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণেই হাতিটিকে জঙ্গলে ফেরানো কঠিন হয়ে পড়েছিল, তাই শেষ পর্যন্ত ঘুমপাড়ানি গুলি ব্যবহার করতে হয়। (ছবি ও তথ্য - নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
advertisement
advertisement