advertisement

Iran vs US Conflict: ‘শেষ হয়ে যাবে সব’—ট্রাম্পের ডেডলাইনে ৩ সম্ভাবনা, বিশ্ব তাকিয়ে আজ রাতের দিকে

Last Updated:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বেঁধে দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমাকে কেন্দ্র করে ইরান পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি সময় রাত ৮টা পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন—এই সময়ের মধ্যে ইরান ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব মেনে না নিলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
1/6
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমাকে ঘিরে ইরান পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন—এই সময়ের মধ্যে ইরান ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবে রাজি না হলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।ট্রাম্পের ডেডলাইন কী? মঙ্গলবার ট্রাম্প আবারও ইরানকে চুক্তিতে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “চুক্তি না হলে আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “আজ রাতেই বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত জানা যাবে।” তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এক রাতের মধ্যেই আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে বড় আঘাত হানতে পারে। “Power Plant Day” এবং “Bridge Day” বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সব সেতু ধ্বংস এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেওয়া সম্ভব। এই চূড়ান্ত সময়সীমা ছিল ৭ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম), যা ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৮ এপ্রিল ভোর ৫:৩০।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমাকে ঘিরে ইরান পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন—এই সময়ের মধ্যে ইরান ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবে রাজি না হলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।ট্রাম্পের ডেডলাইন কী?মঙ্গলবার ট্রাম্প আবারও ইরানকে চুক্তিতে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “চুক্তি না হলে আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “আজ রাতেই বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত জানা যাবে।”তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এক রাতের মধ্যেই আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে বড় আঘাত হানতে পারে। “Power Plant Day” এবং “Bridge Day” বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সব সেতু ধ্বংস এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেওয়া সম্ভব।এই চূড়ান্ত সময়সীমা ছিল ৭ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম), যা ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৮ এপ্রিল ভোর ৫:৩০।
advertisement
2/6
মূল দাবিট্রাম্পের অন্যতম প্রধান দাবি হল হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দ্রুত খুলে দেওয়া, যাতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। তবে ইরান এখনও যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানেনি। তারা স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এদিকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েলও ইরানের সাধারণ মানুষকে রেললাইন বা ট্রেন ব্যবহার এড়াতে সতর্ক করেছে।
মূল দাবিট্রাম্পের অন্যতম প্রধান দাবি হল হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দ্রুত খুলে দেওয়া, যাতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। তবে ইরান এখনও যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানেনি। তারা স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।এদিকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েলও ইরানের সাধারণ মানুষকে রেললাইন বা ট্রেন ব্যবহার এড়াতে সতর্ক করেছে।
advertisement
3/6
সম্ভাব্য তিনটি পরিস্থিতি১) ব্যাপক অবকাঠামোতে হামলা সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, তেলক্ষেত্র এবং খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালাতে পারে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এতে এক রাতেই ইরানের অবকাঠামো ভেঙে পড়তে পারে। ২) শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক সমাধান উত্তেজনা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসতে পারে। তবে এর জন্য ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে এবং মার্কিন প্রস্তাব মানতে হবে। যদিও ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা চলছে বলে মানেনি।
সম্ভাব্য তিনটি পরিস্থিতি১) ব্যাপক অবকাঠামোতে হামলাসময়সীমা পেরিয়ে গেলে আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, তেলক্ষেত্র এবং খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালাতে পারে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এতে এক রাতেই ইরানের অবকাঠামো ভেঙে পড়তে পারে।২) শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক সমাধানউত্তেজনা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসতে পারে। তবে এর জন্য ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে এবং মার্কিন প্রস্তাব মানতে হবে। যদিও ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা চলছে বলে মানেনি।
advertisement
4/6
৩) পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেওয়াচুক্তি না হলে পরিস্থিতি বড় আকারের আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। ইরানের মিত্র শক্তিগুলিও এতে জড়িয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং তেল সম্পদ দখলের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
৩) পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেওয়াচুক্তি না হলে পরিস্থিতি বড় আকারের আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। ইরানের মিত্র শক্তিগুলিও এতে জড়িয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং তেল সম্পদ দখলের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
advertisement
5/6
আজ রাতের সম্ভাব্য ফলাফলতিনটি সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি— কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে সময় বাড়ানো শেষ মুহূর্তে চুক্তি বা আলোচনা সরাসরি সামরিক হামলা
আজ রাতের সম্ভাব্য ফলাফলতিনটি সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি—কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে সময় বাড়ানোশেষ মুহূর্তে চুক্তি বা আলোচনাসরাসরি সামরিক হামলা
advertisement
6/6
শেষ মুহূর্তে কি চুক্তি সম্ভব?সম্ভব হলেও অনিশ্চিত। গোপনে আলোচনা চলতে পারে, তবে ট্রাম্প এটিকে “চূড়ান্ত” ডেডলাইন বলায় সমঝোতা কঠিন হয়ে উঠেছে। সময়সীমা পেরিয়ে গেলে কী হবে? চুক্তি না হলে আমেরিকা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় বড় হামলা চালাতে পারে, যা সংঘাত আরও বাড়াবে এবং বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
শেষ মুহূর্তে কি চুক্তি সম্ভব?সম্ভব হলেও অনিশ্চিত। গোপনে আলোচনা চলতে পারে, তবে ট্রাম্প এটিকে “চূড়ান্ত” ডেডলাইন বলায় সমঝোতা কঠিন হয়ে উঠেছে।সময়সীমা পেরিয়ে গেলে কী হবে?চুক্তি না হলে আমেরিকা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় বড় হামলা চালাতে পারে, যা সংঘাত আরও বাড়াবে এবং বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement