advertisement

Bankura Tourism: খিলান-কড়িবড়গায় তুঙ্গভূমের ইতিহাসের গুঞ্জন...বসন্তদিনে আপনারই অপেক্ষায় সিমলাপালের প্রাচীন রাজবাড়ি

Last Updated:
Bankura Tourism: প্রকৃতি ও ইতিহাসের মেলবন্ধন, পর্যটকদের টানছে সিমলাপাল রাজবাড়ি। ঘরের কাছেই এই আকর্ষণের হাতছানি এড়িয়ে যাবেন না। আসুন ঘুরতে ছোট্ট অবসরে।
1/6
ইতিহাসের পাতায় উল্লেখ রয়েছে, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে শুরু করে পুরুলিয়া জেলার কুইলাপাল পর্যন্ত বহু মৌজা একসময় সিমলাপাল রাজ পরিবারের অধীনে ছিল। এই রাজ পরিবারের শেষ রাজা ছিলেন শ্যামসুন্দর সিংহ চৌধুরি। তাঁর তিন পুত্র থাকলেও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজশাসনের সেই যুগ ইতিহাসে মিলিয়ে গেছে। তবে আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সিমলাপালের প্রাচীন রাজবাড়ি।
ইতিহাসের পাতায় উল্লেখ রয়েছে, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে শুরু করে পুরুলিয়া জেলার কুইলাপাল পর্যন্ত বহু মৌজা একসময় সিমলাপাল রাজ পরিবারের অধীনে ছিল। এই রাজ পরিবারের শেষ রাজা ছিলেন শ্যামসুন্দর সিংহ চৌধুরি। তাঁর তিন পুত্র থাকলেও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজশাসনের সেই যুগ ইতিহাসে মিলিয়ে গেছে। তবে আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সিমলাপালের প্রাচীন রাজবাড়ি। ছবিও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
2/6
বর্তমানে রাজ পরিবারের তত্ত্বাবধানেই সংরক্ষিত রয়েছে এই রাজবাড়ি। সময়ের ছাপ পড়লেও স্থাপত্যের ঐতিহ্য এবং অতীতের স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। বিশেষ করে বসন্ত কালে চারপাশে সবুজ প্রকৃতি আর আকাশভরা মেঘের আবহে রাজবাড়িটি যেন এক গল্পের বইয়ের মতো মনে হয়। প্রতিটি কোণ, প্রতিটি দেয়াল যেন অতীতের একেকটি গল্প শুনিয়ে যায় দর্শনার্থীদের।
বর্তমানে রাজ পরিবারের তত্ত্বাবধানেই সংরক্ষিত রয়েছে এই রাজবাড়ি। সময়ের ছাপ পড়লেও স্থাপত্যের ঐতিহ্য এবং অতীতের স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। বিশেষ করে বসন্ত কালে চারপাশে সবুজ প্রকৃতি আর আকাশভরা মেঘের আবহে রাজবাড়িটি যেন এক গল্পের বইয়ের মতো মনে হয়। প্রতিটি কোণ, প্রতিটি দেয়াল যেন অতীতের একেকটি গল্প শুনিয়ে যায় দর্শনার্থীদের।
advertisement
3/6
সিমলাপাল রাজবাড়িতে পৌঁছনোর পথও বেশ সহজ। বাঁকুড়া শহর থেকে প্রথমে যেতে হবে তালডাংরা, যার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। এরপর তালডাংরা থেকে সোজা রাস্তা ধরে আরও প্রায় ১২ কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় সিমলাপাল বাজারে। বাজারে ঢুকতেই চোখে পড়বে ঐতিহাসিক এই রাজবাড়ি। কলকাতা বা অন্য জেলা থেকেও পর্যটকেরা বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে সহজেই এখানে পৌঁছতে পারেন।
সিমলাপাল রাজবাড়িতে পৌঁছনোর পথও বেশ সহজ। বাঁকুড়া শহর থেকে প্রথমে যেতে হবে তালডাংরা, যার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার। এরপর তালডাংরা থেকে সোজা রাস্তা ধরে আরও প্রায় ১২ কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় সিমলাপাল বাজারে। বাজারে ঢুকতেই চোখে পড়বে ঐতিহাসিক এই রাজবাড়ি। কলকাতা বা অন্য জেলা থেকেও পর্যটকেরা বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে সহজেই এখানে পৌঁছতে পারেন।
advertisement
4/6
ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলটির গুরুত্বও যথেষ্ট। দামোদর, দ্বারকেশ্বর, কংসাবতী এবং শিলাবতী নদী উপত্যকার জঙ্গলাঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেতৃত্বে একসময় কয়েকটি ছোট রাজ্যের উত্থান ঘটে। ক্ষেত্র সমীক্ষকদের মতে, বাঁকুড়া জেলায় এমন চারটি রাজ্যের উল্লেখ পাওয়া যায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল তুঙ্গভূম। সিমলাপাল সেই তুঙ্গভূম রাজ্যেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলটির গুরুত্বও যথেষ্ট। দামোদর, দ্বারকেশ্বর, কংসাবতী এবং শিলাবতী নদী উপত্যকার জঙ্গলাঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেতৃত্বে একসময় কয়েকটি ছোট রাজ্যের উত্থান ঘটে। ক্ষেত্র সমীক্ষকদের মতে, বাঁকুড়া জেলায় এমন চারটি রাজ্যের উল্লেখ পাওয়া যায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল তুঙ্গভূম। সিমলাপাল সেই তুঙ্গভূম রাজ্যেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
advertisement
5/6
রাজবাড়ির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেই সেই ঐতিহাসিক আবহ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সামনেই রয়েছে বড় একটি পুকুর, আর তার পিছনে দাঁড়িয়ে রাজবাড়ির মূল স্থাপনা। প্রকৃতি ও স্থাপত্যের এই মেলবন্ধন জায়গাটিকে এক বিশেষ আকর্ষণীয় রূপ দিয়েছে। বসন্তের সকালে কুয়াশা, মেঘ আর সবুজে ঘেরা এই পরিবেশ যেন এক রোমান্টিক অনুভূতি তৈরি করে।
রাজবাড়ির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেই সেই ঐতিহাসিক আবহ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সামনেই রয়েছে বড় একটি পুকুর, আর তার পিছনে দাঁড়িয়ে রাজবাড়ির মূল স্থাপনা। প্রকৃতি ও স্থাপত্যের এই মেলবন্ধন জায়গাটিকে এক বিশেষ আকর্ষণীয় রূপ দিয়েছে। বসন্তের সকালে কুয়াশা, মেঘ আর সবুজে ঘেরা এই পরিবেশ যেন এক রোমান্টিক অনুভূতি তৈরি করে।
advertisement
6/6
এখন বসন্ত প্রায় শেষের পথে হলেও ঘোরার আমেজ এখনও রয়েছে। বাঙালির মতোই বর্ষাকেও সহজে বিদায় দিতে চায় না প্রকৃতি। সেই আবহে বাঁকুড়ার সিমলাপাল রাজবাড়ি হতে পারে পুজোর ছুটিতে ভ্রমণের এক অনন্য গন্তব্য। ইতিহাস, প্রকৃতি এবং নস্টালজিয়ার মেলবন্ধনে এই রাজবাড়ি পর্যটকদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
এখন বসন্ত প্রায় শেষের পথে হলেও ঘোরার আমেজ এখনও রয়েছে। বাঙালির মতোই বর্ষাকেও সহজে বিদায় দিতে চায় না প্রকৃতি। সেই আবহে বাঁকুড়ার সিমলাপাল রাজবাড়ি হতে পারে পুজোর ছুটিতে ভ্রমণের এক অনন্য গন্তব্য। ইতিহাস, প্রকৃতি এবং নস্টালজিয়ার মেলবন্ধনে এই রাজবাড়ি পর্যটকদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
advertisement
advertisement
advertisement