এখনও পর্যন্ত তারেক রহমান যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার কোনওটাই এমন নয় যা দেখে আপনি বলে দিতে পারবেন, উনি চিনপন্থী, ভারতপন্থী, নাকি পাকিস্তানপন্থী। কারণ, বাংলাদেশে ফেরার পর থেকে তারেক বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর কাছে সবার আগে বাংলাদেশ। যা কিছু বাংলাদেশের স্বার্থে, তিনি সেটাই করবেন। তাঁর কাছে ভারত, চিন, পাকিস্তান, সবাই সমান। শপথের অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেছেন। কথা বলেছেন। এখনও পর্যন্ত তারেক এমন কিছুই করেননি যা ভারতের কাছে অস্বস্তিকর। বরং তাঁর একাধিক কৌশল দিল্লির মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তাছাড়া, এখনও পর্যন্ত তারেক রহমান যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার কোনওটাই এমন নয় যা দেখে আপনি বলে দিতে পারবেন, উনি চিনপন্থী, ভারতপন্থী, নাকি পাকিস্তানপন্থী। কারণ, বাংলাদেশে ফেরার পর থেকে তারেক বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর কাছে সবার আগে বাংলাদেশ। যা কিছু বাংলাদেশের স্বার্থে, তিনি সেটাই করবেন। তাঁর কাছে ভারত, চিন, পাকিস্তান, সবাই সমান। শপথের অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেছেন। কথা বলেছেন। এখনও পর্যন্ত তারেক এমন কিছুই করেননি যা ভারতের কাছে অস্বস্তিকর। বরং তাঁর একাধিক কৌশল দিল্লির মুখে হাসি ফুটিয়েছে।



