মুর্শিদাবাদ একসময় বাংলার রাজধানী ছিল। মুর্শিদকুলী খান-এর শাসনামলে মুঘল বাংলার রাজধানী মুকসুদাবাদ-এর নামানুসারে শহরটির নামকরণ করা হয়। মুর্শিদাবাদ একসময় বাংলা, বিহার ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত মুঘল সুবেহ-এর রাজধানী ছিল। মুর্শিদাবাদে আছে একাধিক ঐতিহাসিক স্থান। হাজারদুয়ারী, কাঠগোলা বাগান, নশিপুর আখড়া, মতিঝিল। মুর্শিদাবাদ শহরে আছে ঐতিহাসিক সাতটি দর্শনীয় স্থান। এবং রয়েছে শশাঙ্কের রাজধানীতে কর্ণসুবর্ন। মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের কীরিটেশ্বরীর মন্দির রয়েছে। যা সতীর ৫১পীঠ। রয়েছে ফরাক্কা ব্যারেজ। যে জল চলে গিয়েছে মুর্শিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশের দিকে। মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম তাঁত ও মুর্শিদাবাদ সিল্ক বিখ্যাত।


প্রথম চিঠির জবাব না পেয়ে এবার দ্রৌপদী মুর্মুকে দ্বিতীয় চিঠি, বঙ্গসফর ঘিরে বিতর্কের মাঝে রাষ্ট্রপতিকে কী জানাতে চায় তৃণমূল?
LPG-র আকাল, এবার হাসপাতালে মিলবে না বিনামূল্যে রুটি-সবজি, সঙ্কটে হাজার হাজার রোগীর পরিবার
RG Kar: আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গ্যাস নিয়ে চিন্তা! কী হতে চলেছে পরিস্থিতি? বাড়ছে চিন্তা
শপথ নিলেন নতুন রাজ্যপাল আরএন রবি! চা-চক্র থেকে উঠে এগিয়ে এলেন মমতার দিকে! মুখ্যমন্ত্রী বললেন...

এসএসকেএম হাসপাতালের মা ক্যান্টিনে ৫ টাকায় খাবার পাওয়া যায়। গ্যাস সঙ্কটের প্রভাব যদি এখানেও পড়ে, তাহলে কী মা কিনতেও






কলকাতা থেকে সড়কপথে মুর্শিদাবাদ শহরের দুরত্ব ২২০ কিলোমিটার। প্রতিদিন ধর্মতলা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যে কোনও বাসে করে মুর্শিদাবাদ যাতায়াত করা যায়।
শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশন থেকে প্রতিদিন লালগোলা প্যাসেঞ্জার এবং দু তিনটি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে যাওয়া আসা যায়।