বৈচিত্র্যময় পুরুলিয়া জেলা জঙ্গলমহলের অন্যতম লাল মাটির। এই জেলা সমৃদ্ধ হয়েছে লোকোসংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে। পুরুলিয়ার লোকশিল্পের অন্যতম অংশ ছৌ, ঝুমুর, টুসু, ভাদু। ছৌ-এর হাত ধরে দেশে-বিদেশে সর্বত্র পুরুলিয়ার নাম ছড়িয়ে গিয়েছে। এই জেলায় একাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়। এছাড়াও রয়েছে জয়চন্ডী পাহাড়, বরন্তি লেক, পারডি ড্যাম, পাখি পাহাড়, মরগুমা জলাধার সহ আরও নানান ভ্রমণস্থল। পুরুলিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় খাবার ভাবরা ভাজা, এছাড়াও রয়েছে নিকুতি, মন্দিরা, দরবেশ।

দক্ষিণবঙ্গে বাড়ল তাপমাত্রা ! গরমের সঙ্গে বাড়বে বাতাসের আর্দ্রতাও, জেনে নিন উইকেন্ডের আবহাওয়ার আপডেট
আবেদনের পরই সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা! বকেয়া ডিএ মেটাতে নয়া নির্দেশিকা নবান্নের
তালসারিতে রাহুলের ঘটনার রেশ না কাটতেই ফের অঘটন সমুদ্রে! তাজপুরে তলিয়ে গেলেন ডাক্তার-দম্পতি
সিইও দফতরের সামনে জমায়েত,অশান্তি!দুই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এফআইআর, তিন দিনে হাজিরার নির্দেশ

সাত বছর আগে তাঁর রোড-শো ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটেছিল কলকাতায়। সাত বছর পরে বৃহস্পতিবারেও তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। কিন্তু অমিত শাহ সন্তর্পণে তা এড়িয়ে গেলেন। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে জমায়েত এবং সংক্ষিপ্ত জনসভা করে একটি সুসজ্জিত ট্রাকে চড়ে রোড শো শুরু করেছিলেন শাহ। ট্রাকের মাথায় শাহের পাশে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু ছাড়াও ছিলেন রাসবিহারী, বালিগঞ্জ এবং চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী যথাক্রমে স্বপন দাশগুপ্ত, শতরূপা এবং সন্তোষ পাঠক। ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর পাশেই ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর শাহকে প্রণামও করেন বিরোধী দলনেতা। এ দিকে, শুভেন্দুর মনোনয়ন কর্মসূচির সময় তৃণমূলের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি ওঁকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওঁর তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন। ১৭০ আসনে জিতলে রাজ্যে পরিবর্তন হবে। ভবানীপুরের মানুষ একটা আসন বিজেপিকে জিতিয়ে দিলে আপনা থেকেই পরিবর্তন হয়ে যাবে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ভয়-ডরহীন হয়ে ভোট দিন ৷’’ হাজরা মোড়ের সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের ৷






ধর্মতলা থেকে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন বাস পরিষেবা রয়েছে কলকাতা থেকে পুরুলিয়া আসার জন্য।
পুরুলিয়া আসার জন্য হাওড়া থেকে নিয়মিত চলে দুটি ট্রেন। এছাড়াও আরও তিনটি ট্রেন রয়েছে সাপ্তাহিকভাবে।