পূর্ব বর্ধমান জেলা ধানের গোলা হিসেবে পরিচিত। এখানে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি পূর্বস্থলীতে সবজি চাষও হয়। জেলার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে সীতাভোগ-মিহিদানা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, নিগন ও বড়াচৌমাথার মন্ডার জন্য। হাওড়া থেকে ট্রেনে প্রায় ৩ ঘণ্টায় বা কলকাতার বিভিন্ন স্থান থেকে বাসে বর্ধমান পৌঁছানো যায়। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে কালনা ও বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির, কালনা রাজবাড়ি, কাটোয়ার গৌরাঙ্গ বাড়ি, আউশগ্রামের ভালকি মাচান, কালিকাপুর রাজবাড়ি, দারিয়াপুরের ডোকরা গ্রাম ও অগ্রদ্বীপের নতুনগ্রাম।

হাইকোর্টে ইডি-তৃণমূল মামলায় নিয়ন্ত্রণ জারি করল আদালত, সরাসরি সম্প্রচারিত হবে শুনানি
শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু! বড় অভিযোগে ফের উত্তপ্ত আরজি কর
কসবার নস্করহাট রোডে আত্মঘাতী যুবক, রিহ্যাব থেকে ফেরার পরই চরম সিদ্ধান্ত
এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া দ্রুত করতে জেলাশাসককে ছ'দফা নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ যাওয়া ভোটাররা অধিকাংশই বৈধ ভোটার বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এসআইআর-এর নামে সর্বনাশের খেলা চলছে বাংলা জুড়ে৷ আগেই এআই ব্যবহার করে ৫৪ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এআই ব্যবহার করে৷ বিবাহিত মহিলাদের পদবী বদল হওয়ায় তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে৷ মিসম্যাচ হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ভুলে৷ বলছে ইআরও নাকি ৫৪ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে৷ কিন্তু ইআরও-দের সংগঠন চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে তারা এ বিষয়ে কিছু জানে না৷ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, যে ৫৪ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তাদের মধ্যে অধিকাংশ নামই বৈধ ভোটারদের৷'






আবার এসপ্ল্যানেড বা করুণাময়ী থেকে বাস পরিষেবাও নিয়মিত পাওয়া যায়, সড়কপথে এনএইচ–২ (গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড) ধরে বর্ধমান পৌঁছাতে লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা।
কলকাতা থেকে পূর্ব বর্ধমান সহজেই পৌঁছানো যায়। শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে ট্রেনে বর্ধমান স্টেশন পর্যন্ত যেতে সময় লাগে প্রায় ২–২.৫ ঘণ্টা। প্রতিদিন বহু লোকাল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে।