মুর্শিদাবাদ একসময় বাংলার রাজধানী ছিল। মুর্শিদকুলী খান-এর শাসনামলে মুঘল বাংলার রাজধানী মুকসুদাবাদ-এর নামানুসারে শহরটির নামকরণ করা হয়। মুর্শিদাবাদ একসময় বাংলা, বিহার ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত মুঘল সুবেহ-এর রাজধানী ছিল। মুর্শিদাবাদে আছে একাধিক ঐতিহাসিক স্থান। হাজারদুয়ারী, কাঠগোলা বাগান, নশিপুর আখড়া, মতিঝিল। মুর্শিদাবাদ শহরে আছে ঐতিহাসিক সাতটি দর্শনীয় স্থান। এবং রয়েছে শশাঙ্কের রাজধানীতে কর্ণসুবর্ন। মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের কীরিটেশ্বরীর মন্দির রয়েছে। যা সতীর ৫১পীঠ। রয়েছে ফরাক্কা ব্যারেজ। যে জল চলে গিয়েছে মুর্শিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশের দিকে। মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম তাঁত ও মুর্শিদাবাদ সিল্ক বিখ্যাত।

Lakshmir Bhandar: "মহিলারা দিদির সাথে আছে, দিদি মহিলাদের সাথে আছে", লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়তে বলছেন বাংলার মহিলারা!
পাড়ায় পাড়ায় বিজেপির গাড়ি! বাঙালির মতামত শুনতে শুরু নয়া কর্মসূচি, দেখুন ভিডিও
'ডমিসাইল সার্টিফিকেট সবক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়', দাবি শুভেন্দু! দেখুন ভিডিও
শেষ স্পেলে জমিয়ে ব্যাটিং শীতের, আর কতদিন থাকবে শীতের আমেজ? জানাল আবহাওয়া দফতর

Election Commission: ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর রাজ্য সরকারের জারি করা নির্দেশিকা এবং তার পরবর্তী সময়ে আনা সমস্ত সংশোধনী অনুযায়ী যেসব ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকদের তরফে ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলিকেই বৈধ ও গ্রাহ্য বলে গণ্য করা হবে।






কলকাতা থেকে সড়কপথে মুর্শিদাবাদ শহরের দুরত্ব ২২০ কিলোমিটার। প্রতিদিন ধর্মতলা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যে কোনও বাসে করে মুর্শিদাবাদ যাতায়াত করা যায়।
শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশন থেকে প্রতিদিন লালগোলা প্যাসেঞ্জার এবং দু তিনটি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে যাওয়া আসা যায়।