Holi 2026: আপনার বাড়িতে কি এই জিনিসগুলি আছে?… হোলির দিনে এভাবে করলে দুর্ভাগ্য দূর হওয়া নিশ্চিত..!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
এই প্রসঙ্গে বাস্তু শাস্ত্র বলে, বাড়ির কিছু নির্দিষ্ট ধরনের জিনিস এই দহন অনুষ্ঠানে অর্পণ করলে অশুভ প্রভাব দূর হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সেই জিনিসগুলো কী কী।
হোলি (Holi) উৎসব মানেই সবার আগে মনে আসে রঙের কথা। এই দিনে বিভিন্ন রঙ একে অপরের ওপর ছিটিয়ে আনন্দ উদ্যাপন করা হয়। প্রকৃতির সব রঙকে একত্রিত করার উৎসব হিসেবেই হোলিকে ধরা হয়। তবে শুধু রঙই নয়, হোলি উৎসবের আরও একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বাস্তু শাস্ত্রের (Vastu Shastra) মতে, এই সময়টিকে পরিবর্তনের পর্ব হিসেবে গণ্য করা হয়। বসন্তের আগমন উপলক্ষে কামদেব দহনও পালন করা হয়। এটি অশুভের উপর শুভের জয়ের প্রতীক। বিশ্বাস করা হয়, এই উৎসব মানসিক চাপ কমাতে এবং সৌভাগ্য বয়ে আনতে সাহায্য করে। সেই কারণেই বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির কিছু নির্দিষ্ট জিনিস এই দহন অনুষ্ঠানে অর্পণ করলে অশুভ শক্তি দূর হয়। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক, সেই জিনিসগুলো কী কী।
advertisement
ছেঁড়া ও পুরোনো পোশাক বাড়িতে ছেঁড়া বা পুরোনো কাপড় প্রায়ই জমে থাকে। কামদেব দহনের সময় এই পোশাকগুলি বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলা উত্তম বলে মনে করা হয়। এই পুরোনো বা ছেঁড়া কাপড় অতীতে ঘটে যাওয়া খারাপ ঘটনার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। এগুলো ব্যবহার করলে পুরোনো আঘাত বা স্মৃতি আবারও মনে পড়ে যেতে পারে। এতে ইতিবাচক পরিবেশও নেতিবাচক হয়ে উঠতে পারে। তাই বাস্তু শাস্ত্র মতে, এগুলো আগুনে অর্পণ করলে সেইসব নেতিবাচক অভিজ্ঞতাও দূর হয়ে যায় বলে বিশ্বাস করা হয়।
advertisement
ভাঙা কাচ ভাঙা কাচ বা আয়না বাড়িতে রাখা বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী অশুভ বলে মনে করা হয়। এগুলো শক্তির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে এবং নেতিবাচকতা ছড়ায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এছাড়া বাড়ির জায়গা দখল করে অগোছালো পরিবেশ তৈরি করে। তাই উৎসবের আগে বাড়ি থেকে এগুলো সরিয়ে ফেলে দেওয়া উচিত, এমনটাই বাস্তু শাস্ত্রে বলা হয়েছে।
advertisement
শুকিয়ে যাওয়া গাছপালা বাড়ির চারপাশের পরিবেশ মনোরম রাখতে আমরা গাছপালা লাগাই। ঘরের ভেতরেও নানা ধরনের গাছ রাখা হয়। কিন্তু সঠিক যত্নের অভাবে অনেক সময় সেগুলো শুকিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে পড়ে। এমন শুকিয়ে যাওয়া বা মৃত গাছ বাড়িতে রাখা উচিত নয় বলে বাস্তু শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। কারণ, শুকনো বা মৃত গাছকে অশুভ হিসেবে ধরা হয়। এগুলো স্থবিরতা ও নেতিবাচকতার প্রতীক। ফলে বাড়ির পরিবেশ ভারী ও বিষণ্ণ হয়ে উঠতে পারে। হোলির আগে এসব গাছ সরিয়ে ফেললে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। তাদের বদলে তুলসী বা মানি প্ল্যান্ট লাগালে ঘরে সতেজতা ও সবুজের সজীবতা ফিরে আসে।
advertisement
নষ্ট হয়ে যাওয়া জুতো পোশাকের মতোই নষ্ট বা ছেঁড়া জুতোও নেতিবাচক শক্তি ছড়ায় বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে অনেকেই এগুলো ফেলে দিতে দ্বিধা বোধ করেন। কাউকে দান করবেন বা কোনও একদিন কাজে লাগবে— এমন ভেবে একপাশে রেখে দেন, আর পরে ভুলে যান। ফলে সেগুলো বাড়িতেই পড়ে থাকে। ছেঁড়া জুতো সংগ্রাম ও বাধার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়, যা সুখকর অনুভূতি দেয় না। তাই এগুলো বাড়ি থেকে সরিয়ে কামদেব দহনের আগুনে অর্পণ করা উচিত বলে বাস্তু শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
advertisement
advertisement








