advertisement

Bengal Fish Fest 2026: ​‘বিষ’ খেয়ে সুস্থ থাকা যায় না, ভেজাল মাছ চাষ রুখতে ফিস ফেস্ট ২০২৬-এর মঞ্চ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের

Last Updated:
Bengal Fish Fest 2026: বর্ধমান টাউন হলে ফিস ফেস্ট ২০২৬-এর সূচনা। জলাশয় ভরাট ও ভেজাল মাছ চাষ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তাঁর অভিযোগ, মৎস্যচাষিদের প্রদান করা সহায়ক সামগ্রী অনেকেই বিক্রি করে দিচ্ছেন।
1/7
পূর্ব বর্ধমান জেলায় অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল ফিস ফেষ্ট ২০২৬। এই ফেস্টকে কেন্দ্র করে ১২টি স্টলও করা হয়। এই দিনের অনুষ্ঠানে এসে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের মুখে। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে মৎস্যচাষিদের বিভিন্ন সহায়ক উপকরণ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অনেকেই সেগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
পূর্ব বর্ধমান জেলায় অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল ফিস ফেষ্ট ২০২৬। এই ফেস্টকে কেন্দ্র করে ১২টি স্টলও করা হয়। এই দিনের অনুষ্ঠানে এসে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের মুখে। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে মৎস্যচাষিদের বিভিন্ন সহায়ক উপকরণ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অনেকেই সেগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/7
এছাড়াও তিনি আক্ষেপের সুরে একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুড়ে দেন। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ তকমা কি শুধু ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে? শনিবার বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত ‘বেঙ্গল ফিস ফেস্ট ২০২৬’-এর মঞ্চ থেকে এই প্রশ্নই কার্যত উসকে দিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
এছাড়াও তিনি আক্ষেপের সুরে একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুড়ে দেন। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ তকমা কি শুধু ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে? শনিবার বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত ‘বেঙ্গল ফিস ফেস্ট ২০২৬’-এর মঞ্চ থেকে এই প্রশ্নই কার্যত উসকে দিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
advertisement
3/7
১২টি সুসজ্জিত স্টল আর মৎস্যচাষীদের ভিড়ে ঠাসা এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর গলায় শোনা গেল, একদিকে হারানো শৈশবের স্মৃতি, আর অন্যদিকে বর্তমানের ভেজাল মাছ চাষ নিয়ে কড়া সতর্কতা।
১২টি সুসজ্জিত স্টল আর মৎস্যচাষীদের ভিড়ে ঠাসা এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর গলায় শোনা গেল, একদিকে হারানো শৈশবের স্মৃতি, আর অন্যদিকে বর্তমানের ভেজাল মাছ চাষ নিয়ে কড়া সতর্কতা।
advertisement
4/7
'আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন বর্ধমান শহরে প্রচুর ছোটবড় জলাশয় ছিল, এখন আর দেখি না, কোথায় গেল সেই জলাশয়গুলি?' শনিবার বর্ধমান টাউন হলে বেঙ্গল ফিস ফেস্ট ২০২৬ কর্মসূচিতে এসে মঞ্চে উপস্থিত বর্ধমান পুরসভার পুর চেয়ারম্যান পরেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
'আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন বর্ধমান শহরে প্রচুর ছোটবড় জলাশয় ছিল, এখন আর দেখি না, কোথায় গেল সেই জলাশয়গুলি?' শনিবার বর্ধমান টাউন হলে বেঙ্গল ফিস ফেস্ট ২০২৬ কর্মসূচিতে এসে মঞ্চে উপস্থিত বর্ধমান পুরসভার পুর চেয়ারম্যান পরেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
advertisement
5/7
তিনি এদিন মঞ্চে উপস্থিত বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রসেনজিত দাসের কাছে জেলায় কোথায় কোথায় কী কী জলাশয় আছে তার তালিকাও চান। তিনি বলেন, জলাশয়গুলি আমাদের সম্পদ। তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা হলে আমরা বাঁচবো।
তিনি এদিন মঞ্চে উপস্থিত বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রসেনজিত দাসের কাছে জেলায় কোথায় কোথায় কী কী জলাশয় আছে তার তালিকাও চান। তিনি বলেন, 'জলাশয়গুলি আমাদের সম্পদ। তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা হলে আমরা বাঁচবো।'
advertisement
6/7
এদিন মৎস্যচাষীদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি তিনি এদিন মৎস্যচাষিদের সতর্ক করে জানান, যে মাছ একবছরে যতটা বড় হয় ৬ মাসেই সে বড় হয়ে যাচ্ছে কী করে। তিনি বলেন, মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ খাওয়া দরকার শরীর সুস্থ আর ভাল রাখার জন্য। কিন্তু যে মাছ খেয়ে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে সেই মাছ চাষের দরকার কি?
এদিন মৎস্যচাষীদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি তিনি এদিন মৎস্যচাষিদের সতর্ক করে জানান, যে মাছ একবছরে যতটা বড় হয় ৬ মাসেই সে বড় হয়ে যাচ্ছে কী করে। তিনি বলেন, মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ খাওয়া দরকার শরীর সুস্থ আর ভাল রাখার জন্য। কিন্তু যে মাছ খেয়ে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে সেই মাছ চাষের দরকার কি?
advertisement
7/7
এদিন ভাল মাছ চাষ করার জন্য কয়েকজন চাষিকে সম্মানিতও করা হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার-সহ সভাধিপতি গার্গী নাহা, পুর চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, জেলা মৎস্য বিভাগের সহকারী ডিরেক্টর শুভব্রত চট্টোপাধ্যায় ও অন্যান্য আধিকারিকরা। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
এদিন ভাল মাছ চাষ করার জন্য কয়েকজন চাষিকে সম্মানিতও করা হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার-সহ সভাধিপতি গার্গী নাহা, পুর চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, জেলা মৎস্য বিভাগের সহকারী ডিরেক্টর শুভব্রত চট্টোপাধ্যায় ও অন্যান্য আধিকারিকরা। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
advertisement
advertisement