Pakistan: নিজের জালেই ‘ফাঁসবে’ ইসলামাবাদ! বাধ্য হয়ে ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে পাকিস্তান? চুক্তি স্মরণ করিয়ে দিল সৌদি!
- Published by:Ankita Tripathi
Last Updated:
Soudi Arabia-Pakistan: ইরান সরাসরি পাকিস্তানে হামলা চালায়নি৷ তা সত্ত্বেও সৌদির ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে যোগ দিতে হতে পারে পাকিস্তানকে৷ সম্প্রতি, সৌদি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কানাডায় পাঠানো এক টিভি বার্তায় রিয়াধ ইঙ্গিত দিয়েছে যে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষিতে তারা ইসলামাবাদের সক্রিয় ভূমিকা চায়।
ক্রমশ পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠছে পশ্চিম এশিয়ায়৷ আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা করা জারি রেখেছে৷ অন্যদিকে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলিতে একেরপর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান৷ সৌদি আরব, কুয়েত-সহ বিভিন্ন দেশের সেনাঘাঁটিতে হামলা করেছে ইরান৷ এমত পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটপূর্ণ পরিস্থিতিতে প্রবেশ করতে পারে পাকিস্তান?
advertisement
সৌদি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কানাডায় পাঠানো এক টিভি বার্তায় রিয়াধ ইঙ্গিত দিয়েছে যে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষিতে তারা ইসলামাবাদের সক্রিয় ভূমিকা চায়। কিন্তু কেন? ইরান সরাসরি পাকিস্তানে হামলা চালায়নি৷ তা সত্ত্বেও সৌদির ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে যোগ দিতে হতে পারে পাকিস্তানকে৷ সৌজন্যে ২০২৫-এ দুই দেশের মধ্যে করা একটি চুক্তি৷ ওই টিভি বার্তায় ইসলামাবাদকে সেই চুক্তিই ফের স্মরণ করিয়েছে রিয়াধ৷
advertisement
২০২৫ সালে সৌদি আরব এবং পাকিস্তান একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে৷ ওই চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে কোনও একটি দেশে আক্রমণ হলেই তা দুই দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে পরগণ্য করা হবে৷ এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে রিয়াধ পাকিস্তানের পারমাণবিক প্রতিরক্ষার সুবিধাও পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যা আমেরিকার উপর নির্ভরতা কমিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে৷
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
ভারতের শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্র বলছে, পাকিস্তান যদি সীমিত ভূমিকাও নেয়—যেমন বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা বা সৌদি আরব কিংবা হরমুজ প্রণালীতে সেনা মোতায়েন করা হয় তাহলেও কার্যত একটি পশ্চিম ফ্রন্ট খুলে যাবে। এই সময়ে পাকিস্তান ইতিমধ্যেই একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ সামলাচ্ছে। বড় শিয়া জনসংখ্যার কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ালে দেশের ভেতরে অস্থিরতা ও উগ্রপন্থার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। (Photo: AP)
advertisement
সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তান পুরো মাত্রায় যুদ্ধ বা ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা কম। ইসলামাবাদের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলোকে ভারসাম্য রক্ষার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধে নামার ইঙ্গিত হিসেবে নয়। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান আমেরিকা-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে এবং সব পক্ষের আক্রমণের নিন্দা করে কূটনীতি ও স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়েছে।
advertisement
২০ মার্চ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই পাকিস্তানকে আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার আহ্বান জানান। এক্স-এ দেওয়া বার্তায় তিনি পাকিস্তানকে “প্রিয়” দেশ বলে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করার কথা বলেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের তেলবাহী জাহাজ “এমটি করাচি” ১৫ মার্চ হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিক্রম করে, যদিও সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ ছিল।








