পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি অদ্ভুত সুন্দর ভূবৈচিত্র সম্পন্ন জেলা হল বাঁকুড়া। জঙ্গলমহলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে এই জেলায়, রয়েছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর, মাটির বাঁধ মুকুটমনিপুর এবং জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ ঘন জঙ্গল। বাঁকুড়া জেলার একটি বড় অংশ আদিবাসী অধ্যুষিত। বাঁকুড়া রাঢ় বাংলার একটি অংশ এবং যার প্রভাব দেখা যায় উচ্চারণে "ড়" এর ব্যবহারে। মাটির ভূপ্রকৃতি লাল হওয়ার কারনে এই জেলাকে লাল মাটির জেলা বলে। বাঁকুড়া জেলায় ঘুরে দেখার জায়গা রয়েছে বিষ্ণুপুর, শুশুনিয়া পাহাড়, মুকুটমণিপুর, বড়দি পাহাড় ইত্যাদি। বাঁকুড়ার হেরিটেজ তকমা পাওয়া মিষ্টি গুলির মধ্যে অন্যতম হল বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু। বাঁকুড়ায় রয়েছে বহু ছোট বড় হস্তশিল্প যেমন ডোকরা, টেরাকোটা।


Modi to Dilip: হাতজোড় করে কথা শুনছেন দিলীপ! কী বলছেন মোদি...চারপাশে সবার হাসিমুখ, মঞ্চে মিটল দূরত্ব?
'আরে তুম তো বহত বদমাশ হো...!' দিলীপ ঘোষের হাত ধরে ব্রিগেড মঞ্চে হঠাৎ বললেন মোদি, মুহূর্তেই মুচকি হাসি দিলীপের!
বুথের বাইরে কী হচ্ছে সে বিষয়েও নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন! প্রতিটি বুথেই থাকবে 'ওয়েব কাস্টিং'
কেন ডাকা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, গিরিশ পার্ক কাণ্ডে রিপোর্ট চাইল কমিশন! স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের, ধৃত ৪

Shashi Panja Attacked: গিরিশ পার্কের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কমিশন! পুলিশ কমিশনারের রিপোর্ট তলব কমিশনের। কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়নি? পুলিশ কমিশনারের কাছে জানতে চাইল কমিশন। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রয়েছে কলকাতায়৷ তা-ও গিরিশ পার্কের সংঘর্ষে কেন ব্যবহার করা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী? এবার সেই প্রশ্ন তুলে কলকাতা পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষপ্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন৷ নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশের আগে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক৷ এলারকায় পৌঁছয় পুলিশের বিরাট বাহিনী৷ এবার গিরিশ পার্কের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে চাওয়া হল লিখিত রিপোর্ট। কলকাতায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা আছে। তারপরও আজ কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হল না? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গিরিশ পার্ক৷ মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা পাথর ছুড়েছে, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনার সূত্রপাত৷ তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের দু’পক্ষই পরস্পরকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ৷ পুলিশকে লক্ষ্য করেও ইট ছোড়ার অভিযোগ ওঠে৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের বিরাট বাহিনী৷ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে যান৷






করুণাময়ী এবং ধর্মতলা থেকে পাওয়া যায় সরকারি বাস।
কলকাতা থেকে বাঁকুড়া আসতে গেলে আসা যায় ট্রেনে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরলে দূরত্ব ২৩০ কিলোমিটার। রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন।