পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি অদ্ভুত সুন্দর ভূবৈচিত্র সম্পন্ন জেলা হল বাঁকুড়া। জঙ্গলমহলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে এই জেলায়, রয়েছে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর, মাটির বাঁধ মুকুটমনিপুর এবং জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ ঘন জঙ্গল। বাঁকুড়া জেলার একটি বড় অংশ আদিবাসী অধ্যুষিত। বাঁকুড়া রাঢ় বাংলার একটি অংশ এবং যার প্রভাব দেখা যায় উচ্চারণে "ড়" এর ব্যবহারে। মাটির ভূপ্রকৃতি লাল হওয়ার কারনে এই জেলাকে লাল মাটির জেলা বলে। বাঁকুড়া জেলায় ঘুরে দেখার জায়গা রয়েছে বিষ্ণুপুর, শুশুনিয়া পাহাড়, মুকুটমণিপুর, বড়দি পাহাড় ইত্যাদি। বাঁকুড়ার হেরিটেজ তকমা পাওয়া মিষ্টি গুলির মধ্যে অন্যতম হল বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু। বাঁকুড়ায় রয়েছে বহু ছোট বড় হস্তশিল্প যেমন ডোকরা, টেরাকোটা।

ইংরাজিতে ব্যানার্জী লিখি, বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় লিখি! যারা জানে না, তাদের ধিক্কার: মমতা
আজই হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু বন্দে ভারত স্লিপারের, নয়া ট্রেন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ!
বিবাহ-বিতর্ক তুঙ্গে, হিরণের প্রথম স্ত্রীর অভিযোগে মামলা রুজু করল পুলিশ! এবার কী হবে?
বেপরোয়া গতিতে বাইক আরোহী,পথচারীদের পিষে ফুটপাথে গাড়ি! উল্টোডাঙায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ১

সরস্বতী পুজোর দিন অন্য মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এ দিন সকালে যোগমায়া দেবী কলেজ হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্রী ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মিষ্টি এবং হলুদ শাড়ি নিয়ে আশুতোষ কলেজের ভবনে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উৎসাহিত হয়ে পড়েন কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও৷ কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান৷ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নিজের কলেজে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান মুখ্যমন্ত্রী৷






করুণাময়ী এবং ধর্মতলা থেকে পাওয়া যায় সরকারি বাস।
কলকাতা থেকে বাঁকুড়া আসতে গেলে আসা যায় ট্রেনে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরলে দূরত্ব ২৩০ কিলোমিটার। রয়েছে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন।