উত্তর ২৪ পরগনা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এর বিশেষত্ব হলো বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, নদীবাহিত ভূপ্রকৃতি, মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস, কৃষি ও মৎস্যচাষ। এই জেলায় বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট, হাবড়া, দমদম, বেলঘরিয়া থেকে শুরু করে বহু শহর-উপশহর রয়েছে। কলকাতার একেবারে লাগোয়া হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই জেলা থেকে কলকাতায় কাজ করতে যান। এখানকার, ব্যারাকপুরের গান্ধীঘাট, নৈহাটির বড়মা, দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দির, সুন্দরবনের কিছু অংশ, কাশীপুর–আদ্যাপীঠ ও কচুয়া পাটপল্লব আশ্রম ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয়।

আনন্দপুরে জতুগৃহ! গোডাউনের একটাই রাস্তা, ছিল না অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা, হয়নি ফায়ার অডিট
ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেহাংশ, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ১১, নিখোঁজ ডায়েরি ১৭ জনের পরিবারের
উত্তরে বৃষ্টি, দার্জিলিঙে হতে পারে তুষারপাত ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
SIR ইস্যুতে কমিশনের উপর চাপ বাড়াতে এবার দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আসানসোল ও মালদহ ডিভিশনে একাধিক ট্রেনের নতুন স্টপেজে অনুমোদন মিলল। কিছুদিন আগেই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার। সেখানেই একাধিক সাংসদ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজ দাবি করেন।






কলকাতার এসপ্ল্যানেড, শ্যামবাজার বা সল্টলেক থেকে বাসেও সরাসরি বারাসত, হাবড়া, বসিরহাট, দমদম ইত্যাদি এলাকায় যাওয়া যায়, সময় লাগে গন্তব্যভেদে প্রায় ১–২ ঘণ্টা। ফলে ভ্রমণ বা কাজের জন্য উত্তর ২৪ পরগনা কলকাতার মানুষের কাছে সবসময় সহজপ্রাপ্য এবং আকর্ষণীয়।
কলকাতা থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্থানে সহজেই ট্রেনে যাওয়া যায়। শিয়ালদহ থেকে বারাসত, বনগাঁ, হাসনাবাদ বা রানাঘাট লাইনের লোকাল ট্রেনে মাত্র ৩০–৯০ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো সম্ভব।