উত্তর ২৪ পরগনা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এর বিশেষত্ব হলো বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, নদীবাহিত ভূপ্রকৃতি, মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস, কৃষি ও মৎস্যচাষ। এই জেলায় বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট, হাবড়া, দমদম, বেলঘরিয়া থেকে শুরু করে বহু শহর-উপশহর রয়েছে। কলকাতার একেবারে লাগোয়া হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই জেলা থেকে কলকাতায় কাজ করতে যান। এখানকার, ব্যারাকপুরের গান্ধীঘাট, নৈহাটির বড়মা, দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দির, সুন্দরবনের কিছু অংশ, কাশীপুর–আদ্যাপীঠ ও কচুয়া পাটপল্লব আশ্রম ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয়।

দক্ষিণবঙ্গে বাড়ল তাপমাত্রা ! গরমের সঙ্গে বাড়বে বাতাসের আর্দ্রতাও, জেনে নিন উইকেন্ডের আবহাওয়ার আপডেট
আবেদনের পরই সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা! বকেয়া ডিএ মেটাতে নয়া নির্দেশিকা নবান্নের
তালসারিতে রাহুলের ঘটনার রেশ না কাটতেই ফের অঘটন সমুদ্রে! তাজপুরে তলিয়ে গেলেন ডাক্তার-দম্পতি
সিইও দফতরের সামনে জমায়েত,অশান্তি!দুই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এফআইআর, তিন দিনে হাজিরার নির্দেশ

সাত বছর আগে তাঁর রোড-শো ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটেছিল কলকাতায়। সাত বছর পরে বৃহস্পতিবারেও তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। কিন্তু অমিত শাহ সন্তর্পণে তা এড়িয়ে গেলেন। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে জমায়েত এবং সংক্ষিপ্ত জনসভা করে একটি সুসজ্জিত ট্রাকে চড়ে রোড শো শুরু করেছিলেন শাহ। ট্রাকের মাথায় শাহের পাশে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু ছাড়াও ছিলেন রাসবিহারী, বালিগঞ্জ এবং চৌরঙ্গীর বিজেপি প্রার্থী যথাক্রমে স্বপন দাশগুপ্ত, শতরূপা এবং সন্তোষ পাঠক। ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর পাশেই ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর শাহকে প্রণামও করেন বিরোধী দলনেতা। এ দিকে, শুভেন্দুর মনোনয়ন কর্মসূচির সময় তৃণমূলের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি ওঁকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওঁর তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন। ১৭০ আসনে জিতলে রাজ্যে পরিবর্তন হবে। ভবানীপুরের মানুষ একটা আসন বিজেপিকে জিতিয়ে দিলে আপনা থেকেই পরিবর্তন হয়ে যাবে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ভয়-ডরহীন হয়ে ভোট দিন ৷’’ হাজরা মোড়ের সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের ৷






কলকাতার এসপ্ল্যানেড, শ্যামবাজার বা সল্টলেক থেকে বাসেও সরাসরি বারাসত, হাবড়া, বসিরহাট, দমদম ইত্যাদি এলাকায় যাওয়া যায়, সময় লাগে গন্তব্যভেদে প্রায় ১–২ ঘণ্টা। ফলে ভ্রমণ বা কাজের জন্য উত্তর ২৪ পরগনা কলকাতার মানুষের কাছে সবসময় সহজপ্রাপ্য এবং আকর্ষণীয়।
কলকাতা থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্থানে সহজেই ট্রেনে যাওয়া যায়। শিয়ালদহ থেকে বারাসত, বনগাঁ, হাসনাবাদ বা রানাঘাট লাইনের লোকাল ট্রেনে মাত্র ৩০–৯০ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো সম্ভব।