advertisement

Dada Boudi Biryani: ফাইনালি বন্ধ হচ্ছে না দাদা বৌদির বিরিয়ানি, ফিরছে পুরনো সুবাস! বিকল্প কোন পথ বাছলেন মালিকপক্ষ?

Last Updated:
Dada Boudi Biryani: দাদা বৌদির বিরিয়ানিতে আবার ফিরছে পুরনো সুবাস। গ্যাস সংকটে দাঁড়িয়ে, বাধ্য হয়ে কাঠেই বিরিয়ানি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিকপক্ষ। ফলে স্বাদ বাড়বে বিরিয়ানি, এমনই আশা।
1/7
*উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ন রায়: দাদা বৌদির বিরিয়ানিতে আবার ফিরছে পুরনো সুবাস! গ্যাস সংকটে দাঁড়িয়ে, বাধ্য হয়ে কাঠেই বিরিয়ানি তৈরির সিদ্ধান্ত। বর্তমানে চলতে থাকা রান্নার গ্যাসের সংকটের প্রভাব এবার পড়ল জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকানগুলিতেও। সেই তালিকায় নাম উঠেছে ব্যারাকপুরের বিখ্যাত দাদা বৌদি বিরিয়ানির। গ্যাসের পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় রেস্তোরাঁর হেঁসেলে সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
*উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ন রায়: দাদা বৌদির বিরিয়ানিতে আবার ফিরছে পুরনো সুবাস! গ্যাস সংকটে দাঁড়িয়ে, বাধ্য হয়ে কাঠেই বিরিয়ানি তৈরির সিদ্ধান্ত। বর্তমানে চলতে থাকা রান্নার গ্যাসের সংকটের প্রভাব এবার পড়ল জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকানগুলিতেও। সেই তালিকায় নাম উঠেছে ব্যারাকপুরের বিখ্যাত দাদা বৌদি বিরিয়ানির। গ্যাসের পর্যাপ্ত যোগান না থাকায় রেস্তোরাঁর হেঁসেলে সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
advertisement
2/7
*রেস্তোরাঁর কর্ণধার সঞ্জীব সাহা জানান, তাঁদের তিনটি কাউন্টার মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০টি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। সেই হিসেবে মাসে প্রায় ৯০০ সিলিন্ডার লাগে। কিন্তু সাম্প্রতিক গ্যাস সরবরাহের সমস্যার কারণে ডিলারদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মজুত গ্যাসও প্রায় শেষের পথে।
*রেস্তোরাঁর কর্ণধার সঞ্জীব সাহা জানান, তাঁদের তিনটি কাউন্টার মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০টি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। সেই হিসেবে মাসে প্রায় ৯০০ সিলিন্ডার লাগে। কিন্তু সাম্প্রতিক গ্যাস সরবরাহের সমস্যার কারণে ডিলারদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মজুত গ্যাসও প্রায় শেষের পথে।
advertisement
3/7
*তিনি জানান, ডিলাররা জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহূর্তে গ্যাস দিতে পারবেন না। কারণ তাঁদের কাছেই সাপ্লাই নেই। তাই এই পরিস্থিতির দ্রুত সামাল দিতে এখন গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে পুরোনো পদ্ধতি মেনে কাঠেই বিরিয়ানি তৈরির পথে হাঁটছে এই জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান।
*তিনি জানান, ডিলাররা জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহূর্তে গ্যাস দিতে পারবেন না। কারণ তাঁদের কাছেই সাপ্লাই নেই। তাই এই পরিস্থিতির দ্রুত সামাল দিতে এখন গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে পুরোনো পদ্ধতি মেনে কাঠেই বিরিয়ানি তৈরির পথে হাঁটছে এই জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান।
advertisement
4/7
*ইতিমধ্যেই প্রায় অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে বিপুল অঙ্কের কাঠ সংগ্রহ করা হয়েছে বিরিয়ানি রান্নার জন্য। ভোজন রসিকদের যাতে বিরিয়ানি খেতে অসুবিধা না হয় তার জন্যই এই উদ্যোগ। তবে গত কয়েকদিনে ক্রেতাদের সংখ্যাও অনেকাংশে কমেছে বলে জানালেন দোকান মালিক।
*ইতিমধ্যেই প্রায় অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে বিপুল অঙ্কের কাঠ সংগ্রহ করা হয়েছে বিরিয়ানি রান্নার জন্য। ভোজন রসিকদের যাতে বিরিয়ানি খেতে অসুবিধা না হয় তার জন্যই এই উদ্যোগ। তবে গত কয়েকদিনে ক্রেতাদের সংখ্যাও অনেকাংশে কমেছে বলে জানালেন দোকান মালিক।
advertisement
5/7
*ব্যারাকপুর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের বাইরে অবস্থিত এই জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান বহু বছর ধরেই খাদ্যরসিকদের ভরসার জায়গা। মূলত বিরিয়ানির জন্য বিখ্যাত হলেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখানে এখন বিভিন্ন ভারতীয় ও চাইনিজ খাবারও পাওয়া যায়। বর্তমানে ব্যারাকপুরে দুটি এবং সোদপুরে একটি আউটলেট মিলিয়ে মোট তিনটি শাখা চালু রয়েছে।
*ব্যারাকপুর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের বাইরে অবস্থিত এই জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান বহু বছর ধরেই খাদ্যরসিকদের ভরসার জায়গা। মূলত বিরিয়ানির জন্য বিখ্যাত হলেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখানে এখন বিভিন্ন ভারতীয় ও চাইনিজ খাবারও পাওয়া যায়। বর্তমানে ব্যারাকপুরে দুটি এবং সোদপুরে একটি আউটলেট মিলিয়ে মোট তিনটি শাখা চালু রয়েছে।
advertisement
6/7
*তিনটি আউটলেটে মিলিয়ে প্রায় ৬০০ জন কর্মী কাজ করেন। ফলে গ্যাস সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু ব্যবসাই নয়, বহু কর্মীর জীবিকাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ।
*তিনটি আউটলেটে মিলিয়ে প্রায় ৬০০ জন কর্মী কাজ করেন। ফলে গ্যাস সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু ব্যবসাই নয়, বহু কর্মীর জীবিকাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ।
advertisement
7/7
*এদিকে রাজ্য জুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকটের জেরে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্রমশ উদ্বেগে পড়ছেন। পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বহু হোটেল-রেস্তরাঁর পরিষেবায় প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
*এদিকে রাজ্য জুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকটের জেরে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্রমশ উদ্বেগে পড়ছেন। পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বহু হোটেল-রেস্তরাঁর পরিষেবায় প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement