advertisement

Talsari Beach: তালসারির সমুদ্রে রাহুলের তলিয়ে মৃত্যু! কোন কোন রোগ থাকলে সমুদ্রে স্নান ঝুঁকিপূর্ণ? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

Last Updated:
Talsari Beach: তালসারি বিচে অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পর সমুদ্রে স্নান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশিষ্ট চিকিৎসক গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দিয়েছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন কারা সমুদ্রে নামার আগে সাবধান থাকবেন এবং কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।
1/6
*তালসারি সমুদ্রে জলে ডুবে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জির মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে সমুদ্রে স্নান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে কারা সমুদ্রে নামার আগে সতর্ক থাকবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট চিকিৎসক সুভাষ সাহা গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
*তালসারি সমুদ্রে জলে ডুবে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জির মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে সমুদ্রে স্নান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে কারা সমুদ্রে নামার আগে সতর্ক থাকবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট চিকিৎসক সুভাষ সাহা গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
advertisement
2/6
*চিকিৎসকের মতে, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য সমুদ্রে স্নান বিপজ্জনক হতে পারে। ঠান্ডা জল এবং প্রবল ঢেউ শরীরে হঠাৎ চাপ সৃষ্টি করে, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। একইভাবে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমুদ্রের নোনা বাতাস ও জলীয় কণা শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
*চিকিৎসকের মতে, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য সমুদ্রে স্নান বিপজ্জনক হতে পারে। ঠান্ডা জল এবং প্রবল ঢেউ শরীরে হঠাৎ চাপ সৃষ্টি করে, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। একইভাবে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমুদ্রের নোনা বাতাস ও জলীয় কণা শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
advertisement
3/6
*ত্বকের খোলা ক্ষত বা কাটা থাকলে সমুদ্রের জলে নামা একেবারেই অনুচিৎ। কারণ নোনা জল ও বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে গুরুতর সংক্রমণ হতে পারে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তারা সহজেই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন।
*ত্বকের খোলা ক্ষত বা কাটা থাকলে সমুদ্রের জলে নামা একেবারেই অনুচিৎ। কারণ নোনা জল ও বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে গুরুতর সংক্রমণ হতে পারে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তারা সহজেই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন।
advertisement
4/6
*পেটের সমস্যা বা ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও সমুদ্রের জল ঝুঁকিপূর্ণ। স্নানের সময় অসাবধানতাবশত জল গিলে ফেললে পেটের সংক্রমণ, বমি বা ডায়েরিয়া বাড়তে পারে, বিশেষ করে যদি সেই জলে দূষণ থাকে। এছাড়া কানে আগে থেকেই সংক্রমণ থাকলে ‘সুইমার্স ইয়ার’-এর মতো সমস্যা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
*পেটের সমস্যা বা ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও সমুদ্রের জল ঝুঁকিপূর্ণ। স্নানের সময় অসাবধানতাবশত জল গিলে ফেললে পেটের সংক্রমণ, বমি বা ডায়েরিয়া বাড়তে পারে, বিশেষ করে যদি সেই জলে দূষণ থাকে। এছাড়া কানে আগে থেকেই সংক্রমণ থাকলে ‘সুইমার্স ইয়ার’-এর মতো সমস্যা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
advertisement
5/6
*অন্যদিকে, সমুদ্রের জল যদি লাল বা সবুজাভ দেখায়, তবে সেখানে বিষাক্ত সায়ানোব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা ত্বক, চোখ ও শ্বাসনালীর জন্য ক্ষতিকর।
*অন্যদিকে, সমুদ্রের জল যদি লাল বা সবুজাভ দেখায়, তবে সেখানে বিষাক্ত সায়ানোব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা ত্বক, চোখ ও শ্বাসনালীর জন্য ক্ষতিকর।
advertisement
6/6
*সব মিলিয়ে, ডা. সাহা জানিয়েছেন, সমুদ্রে নামার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
*সব মিলিয়ে, ডা. সাহা জানিয়েছেন, সমুদ্রে নামার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
advertisement
advertisement
advertisement