সাগরতটের সমস্ত পচনশীল বর্জ্য সেখানে জড়ো করা হয়। অপচনশীল বর্জ্য পদার্থগুলি আলাদা করে সেগুলি অন্য কাজে লাগানো হয়। গঙ্গাসাগরের এই বিপুল বর্জ্য পদার্থ থেকে ছয়মাসেই পিট তৈরি করে করা হয় সার। সেই সার বাজারে বিক্রি করা হয়। এই সারের নাম মৃত্তিকা মিত্র। গঙ্গাসাগরের এই বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পদার্থ গায়েব হতে সময় লাগে মাত্র ছয় মাস।

advertisement

আরও পড়ুন: স্মার্টফোনের নেশা কাটাতে মাস্টারস্ট্রোক, এক কুপনেই কেল্লাফতে! মনের মতো বই কিনতে মেলায় দেদার ভিড়

আর বাকি অপচনশীলবর্জ্য পদার্থ দিয়ে প্রচুর জিনিসপত্র তৈরি করা হয়। ফেলে দেওয়া শাড়ি থেকে পাপোশ, শিশি বোতল দিয়ে ফুলদানি সহ বিভিন্ন রকম শৌখিন সামগ্রী সহ একাধিক জিনিসপত্র তৈরি করা হয়। যা বিক্রি হয় বাজারে। গঙ্গাসাগর মেলা শেষ হলে শুরু হয় এই কাজ। তারপর ছ’মাসেই গঙ্গাসাগর থেকে সমস্ত বর্জ্য পদার্থকে ভাল জিনিসে পরিণত করা হয়।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

যা কাজে লাগে সাধারণ মানুষের। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই। এই প্রজেক্ট আছে বলেই গঙ্গাসাগর এখনও সুন্দর হয়ে রয়েছে। গঙ্গাসাগরে যে বিপুল পূণ্যার্থী আসেন, মেলা শেষ হলে তাঁরা ফিরে যান। কিন্তু তাঁদের ফেলে যাওয়া বর্জ্য থেকে অনেক কিছুই তৈরি হয়। পরিচ্ছন্ন গঙ্গাসাগর তৈরি করার জন্য এই কাজ নজর কেড়েছে সকলের।

advertisement