NIPAH Virus Symptoms: জ্বর থেকে খিঁচুনি হয়ে কোমা! বাংলায় ধরা পড়েছে তীব্র ছোঁয়াচে NIPAH Virus! জানুন ঠিক কী কী খেলে ছড়ায় এই রোগ ও সংক্রমণ

Last Updated:
NIPAH Virus Symptoms: মানুষের মধ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষণহীন থেকে শুরু করে গুরুতর শ্বাসকষ্ট এবং মারাত্মক এনসেফালাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, বমি এবং গলা ব্যথা, যা মাথা ঘোরা, তন্দ্রা এবং এনসেফালাইটিসের ইঙ্গিতকারী স্নায়বিক লক্ষণগুলিতে পরিণত হতে পারে
1/7
ভরা শীতে বাংলায় নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক৷ বারাসতের দু’জন নার্সকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে৷ প্রাথমিক সন্দেহ, তাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত৷ সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে নমুনা পাঠানো হয়েছে পুণেতে৷ তাঁদের চিকিৎসা চলছে ভেন্টিলেশনে৷ নিপা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮-৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় এক প্রাদুর্ভাবের সময়। এই সংক্রমণ মূলত শূকর পালনকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এই প্রাদুর্ভাব ভাইরাসটিকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল। কারণ এতে উচ্চ মৃত্যুহার। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ।
ভরা শীতে বাংলায় নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক৷ বারাসতের দু’জন নার্সকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে৷ প্রাথমিক সন্দেহ, তাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত৷ সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে নমুনা পাঠানো হয়েছে পুণেতে৷ তাঁদের চিকিৎসা চলছে ভেন্টিলেশনে৷ নিপা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮-৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় এক প্রাদুর্ভাবের সময়। এই সংক্রমণ মূলত শূকর পালনকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এই প্রাদুর্ভাব ভাইরাসটিকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল। কারণ এতে উচ্চ মৃত্যুহার। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ।
advertisement
2/7
মালয়েশিয়ার কাম্পুং সু্ঙ্গাই নিপা (Kampung Sungai Nipah) গ্রামে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে৷ তাই এই ভাইরাসের নাম হয় নিপা (Nipah)৷ নিপা ভাইরাস (NiV) একটি জুনোটিক ভাইরাস, যার অর্থ এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে ফল-বাদুড় (যাদের মূল খাবার ফলমূল), যাকে উড়ন্ত শিয়ালও বলা হয়, তারা এর প্রাকৃতিক পোষক। এই ভাইরাস শূকরকেও সংক্রমিত করতে পারে এবং মানুষের মধ্যে অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে - হালকা লক্ষণ থেকে শুরু করে এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের ফোলাভাব) এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
মালয়েশিয়ার কাম্পুং সু্ঙ্গাই নিপা (Kampung Sungai Nipah) গ্রামে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে৷ তাই এই ভাইরাসের নাম হয় নিপা (Nipah)৷ নিপা ভাইরাস (NiV) একটি জুনোটিক ভাইরাস, যার অর্থ এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে ফল-বাদুড় (যাদের মূল খাবার ফলমূল), যাকে উড়ন্ত শিয়ালও বলা হয়, তারা এর প্রাকৃতিক পোষক। এই ভাইরাস শূকরকেও সংক্রমিত করতে পারে এবং মানুষের মধ্যে অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে - হালকা লক্ষণ থেকে শুরু করে এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের ফোলাভাব) এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
advertisement
3/7
মানুষের মধ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষণহীন থেকে শুরু করে গুরুতর শ্বাসকষ্ট এবং মারাত্মক এনসেফালাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, বমি এবং গলা ব্যথা, যা মাথা ঘোরা, তন্দ্রা এবং এনসেফালাইটিসের ইঙ্গিতকারী স্নায়বিক লক্ষণগুলিতে পরিণত হতে পারে। বলছেন নামী এপিডেমিওলজিস্ট রমেন গঙ্গাখেড়কর৷
মানুষের মধ্যে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষণহীন থেকে শুরু করে গুরুতর শ্বাসকষ্ট এবং মারাত্মক এনসেফালাইটিস পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, বমি এবং গলা ব্যথা, যা মাথা ঘোরা, তন্দ্রা এবং এনসেফালাইটিসের ইঙ্গিতকারী স্নায়বিক লক্ষণগুলিতে পরিণত হতে পারে। বলছেন নামী এপিডেমিওলজিস্ট রমেন গঙ্গাখেড়কর৷
advertisement
4/7
গুরুতর ক্ষেত্রে, রোগীদের ২৮ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খিঁচুনি হতে পারে এবং কোমায় চলে যেতে পারে। শ্বাসকষ্ট এবং অস্বাভাবিক নিউমোনিয়াও হতে পারে। নিপা ভাইরাস সংক্রমণের ইনকিউবেশন পিরিয়ড সাধারণত ৪ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত হয়, যদিও কিছু ক্ষেত্রে এটি ৪৫ দিন পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে। প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে সংক্রমণের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৪৫% থেকে ৭৫% এর মধ্যে বলে অনুমান করা হয়।
গুরুতর ক্ষেত্রে, রোগীদের ২৮ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খিঁচুনি হতে পারে এবং কোমায় চলে যেতে পারে। শ্বাসকষ্ট এবং অস্বাভাবিক নিউমোনিয়াও হতে পারে। নিপা ভাইরাস সংক্রমণের ইনকিউবেশন পিরিয়ড সাধারণত ৪ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত হয়, যদিও কিছু ক্ষেত্রে এটি ৪৫ দিন পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে। প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে সংক্রমণের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৪৫% থেকে ৭৫% এর মধ্যে বলে অনুমান করা হয়।
advertisement
5/7
WHO-এর মতে, নিপা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা নেই। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে যেসব অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রয়েছে, সেখানে সংক্রমিত শূকর এবং বাদুড়ের সংস্পর্শ কমানো এবং কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া এড়িয়ে চলা, যা ভাইরাস বহনকারী বাদুড় দ্বারা দূষিত হতে পারে।
WHO-এর মতে, নিপা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা নেই। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে যেসব অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রয়েছে, সেখানে সংক্রমিত শূকর এবং বাদুড়ের সংস্পর্শ কমানো এবং কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া এড়িয়ে চলা, যা ভাইরাস বহনকারী বাদুড় দ্বারা দূষিত হতে পারে।
advertisement
6/7
বাদুড় যে ফল খায়, তার থেকে ছড়িয়ে পড়বে এই ভাইরাস৷ বাদুড় যে সব ফল খায়, সেগুলি এড়িয়ে চলুন৷ আধখাওয়া ফল খাবেন না কোনওমতেই৷ বাদুড়ে খাওয়া ফল যদি মিশে থাকে তাজা ফলের সঙ্গে, তাহলেও ছড়াবে সংক্রমণ৷ তাই গাছ থেকে পেড়েই হোক, বা বাজার থেকে কিনেই খান, ফল খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন৷
বাদুড় যে ফল খায়, তার থেকে ছড়িয়ে পড়বে এই ভাইরাস৷ বাদুড় যে সব ফল খায়, সেগুলি এড়িয়ে চলুন৷ আধখাওয়া ফল খাবেন না কোনওমতেই৷ বাদুড়ে খাওয়া ফল যদি মিশে থাকে তাজা ফলের সঙ্গে, তাহলেও ছড়াবে সংক্রমণ৷ তাই গাছ থেকে পেড়েই হোক, বা বাজার থেকে কিনেই খান, ফল খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন৷
advertisement
7/7
নির্দিষ্ট কোনও পদ্ধতি মেনে চিকিৎসা নয়, রোগীর সমস্যা দেখে চিকিৎসা করা হয়। এই ভাইরাসের টিকার গবেষণা চলছে। আপাতত নির্দিষ্ট কোনও টিকা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্তের ব্যবহৃত বিছানা, পোশাক বা অন্য জিনিসপত্র থেকেও সংক্রমণের ক্ষমতা আছে নিপা ভাইরাসের। সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো উপসর্গ হলেও নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৫০-৬০ শতাংশ। আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই তাঁকে সুস্থ করে তুলতে পারে। সে জন্য দ্রুত রোগ ধরা পড়া অত্যন্ত জরুরি।
নির্দিষ্ট কোনও পদ্ধতি মেনে চিকিৎসা নয়, রোগীর সমস্যা দেখে চিকিৎসা করা হয়। এই ভাইরাসের টিকার গবেষণা চলছে। আপাতত নির্দিষ্ট কোনও টিকা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্তের ব্যবহৃত বিছানা, পোশাক বা অন্য জিনিসপত্র থেকেও সংক্রমণের ক্ষমতা আছে নিপা ভাইরাসের। সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো উপসর্গ হলেও নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৫০-৬০ শতাংশ। আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই তাঁকে সুস্থ করে তুলতে পারে। সে জন্য দ্রুত রোগ ধরা পড়া অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
advertisement
advertisement