Birbhum News: দুধের শিশুকে নিয়ে তারাপীঠে...আর কোনও সমস্যা নেই! সদ্যোজাতদের জন্য এবার বিশেষ ব্যবস্থা

Last Updated:
প্রসঙ্গত তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদ ও মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধানে তারাপীঠ মন্দিরে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানেও তারাপীঠ মন্দিরের পাশে অবস্থিত জীবিত কুণ্ড বাঁধিয়ে তোলার কাজ চলছে।
1/5
বীরভূম,সৌভিক রায়: বীরভূমের মধ্যে অবস্থিত সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠ মা তারা মন্দির। প্রত্যেকদিন দেশ-বিদেশের প্রায় হাজার হাজার পর্যটক মা তারার মন্দির দর্শনের জন্য আসেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সদ্যোজাত বাচ্চাদের মন্দিরে নিয়ে এসে দুগ্ধ পান করাতে সমস্যায় পড়তে হয় মায়েদের। এর ফলেই অনেকে মা তারার মন্দির সদ্যোজাত বাচ্চাদের নিয়ে আসতে চাইতেন না। তবে এবার তাদের কথা চিন্তা করেই মন্দির কমিটির তরফ থেকে নতুন সংযোজন করা হলও তারাপীঠ মন্দির চত্বরে।
বীরভূমের মধ্যে অবস্থিত সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠ মা তারা মন্দির। প্রত্যেকদিন দেশ-বিদেশের প্রায় হাজার হাজার পর্যটক মা তারার মন্দির দর্শনের জন্য আসেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সদ্যোজাত বাচ্চাদের মন্দিরে নিয়ে এসে দুগ্ধ পান করাতে সমস্যায় পড়তে হয় মায়েদের। এর ফলেই অনেকে মা তারার মন্দির সদ্যোজাত বাচ্চাদের নিয়ে আসতে চাইতেন না। তবে এবার তাদের কথা চিন্তা করেই মন্দির কমিটির তরফ থেকে নতুন সংযোজন করা হলও তারাপীঠ মন্দির চত্বরে।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
2/5
প্রসঙ্গত তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদ ও মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধানে তারাপীঠ মন্দিরে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানেও তারাপীঠ মন্দিরের পাশে অবস্থিত জীবিত কুণ্ড বাঁধিয়ে তোলার কাজ চলছে। এর পাশাপাশি পর্যটকদের কথা চিন্তা করে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে তারাপীঠ মন্দির চত্বরে। প্রজেক্টরের মাধ্যমে সন্ধ্যারতি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে মন্দিরের তরফ থেকে। এছাড়াও শৌচালয় নির্মাণের কাজও চলছে।
প্রসঙ্গত তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পরিষদ ও মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধানে তারাপীঠ মন্দিরে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানেও তারাপীঠ মন্দিরের পাশে অবস্থিত জীবিত কুণ্ড বাঁধিয়ে তোলার কাজ চলছে। এর পাশাপাশি পর্যটকদের কথা চিন্তা করে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে তারাপীঠ মন্দির চত্বরে। প্রজেক্টরের মাধ্যমে সন্ধ্যারতি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে মন্দিরের তরফ থেকে। এছাড়াও শৌচালয় নির্মাণের কাজও চলছে।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
3/5
এর পাশাপাশি বাচ্চাদের দুগ্ধ পান করানোর জন্য একটি কক্ষ খোলা হয়েছে। যেখানে সদ্যোজাত বাচ্চাদের নিয়ে মায়েরা দুগ্ধ পান করাতে পারবেন। দুগ্ধ পান কক্ষের বাইরে একজন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর তত্ত্বাবধানেই খুব অনায়াসেই বাচ্চাদের দুগ্ধ পান করাচ্ছেন মায়েরা। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় জানান
এর পাশাপাশি বাচ্চাদের দুগ্ধ পান করানোর জন্য একটি কক্ষ খোলা হয়েছে। যেখানে সদ্যোজাত বাচ্চাদের নিয়ে মায়েরা দুগ্ধ পান করাতে পারবেন। দুগ্ধ পান কক্ষের বাইরে একজন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর তত্ত্বাবধানেই খুব অনায়াসেই বাচ্চাদের দুগ্ধ পান করাচ্ছেন মায়েরা। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় জানান " অনেকদিন ধরেই পর্যটকদের আবেদন ছিল সদ্যোজাত বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে কোনও একটি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মোতাবেত আমরা মন্দির কমিটির তরফ থেকে শিশু দুগ্ধ পান কক্ষ খুলেছি।"ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
4/5
কলকাতা থেকে আগত এক মহিলা পর্যটক সুস্মিতা কর্মকার জানান
কলকাতা থেকে আগত এক মহিলা পর্যটক সুস্মিতা কর্মকার জানান "আমি বছরে প্রায় দুবার তারাপীঠ মন্দির আসি মা তারার দর্শনের জন্য, এবার প্রথম আমার ১৩ মাসের বাচ্চাকে নিয়ে এলাম, ভেবেছিলাম বাচ্চা কাঁদলে কোথায় দুগ্ধ পান করাবো, তবে মন্দিরে এসে দেখতে পাই দুগ্ধ পান কক্ষ খোলা হয়েছে। এর ফলে আমার অনেকটাই সুবিধা হয়েছে বাচ্চাকে দুগ্ধ পান করানোর জন্য।"ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
5/5
মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানা যায় সকালে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একজন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন থাকছেন শিশু দুগ্ধ পান কক্ষে। তালামারা অবস্থায় রাখা হচ্ছে দুগ্ধ পান কক্ষটি। মায়েরা এসে জানানোর পরেই খুলে দেওয়া হচ্ছে সেই কক্ষটি। কোনও পুরুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরের মধ্যে লাইট ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে।
মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানা যায় সকালে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একজন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন থাকছেন শিশু দুগ্ধ পান কক্ষে। তালামারা অবস্থায় রাখা হচ্ছে দুগ্ধ পান কক্ষটি। মায়েরা এসে জানানোর পরেই খুলে দেওয়া হচ্ছে সেই কক্ষটি। কোনও পুরুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরের মধ্যে লাইট ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে।ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
advertisement
advertisement
advertisement