এ বিষয়ে চড়িদা গ্রামের দুই মুখোশ শিল্পী মৃত্যুঞ্জয় সূত্রধর ও ভরত দত্ত বলেন, পলাশ তথা দোল উৎসবের জন্য তাদের মুখোশ বানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। তাদের কর্ম ব্যস্ততা রয়েছে তুঙ্গে।
advertisement
ছৌ মুখোশ
যদিও এবছর ব্যাপক হারে মুখোশ বিক্রি নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ের মধ্যে রয়েছেন তারা। কারণ এবছর নিউ ইয়ারেও পর্যটকদের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল বিগত বছরের তুলনায়। এছাড়াও পরীক্ষার কারণেও পর্যটকদের সংখ্যা বেশ খানিকটা কম রয়েছে এই মরশুমে। তাই কিছুটা হলেও চিন্তার মধ্যে রয়েছেন শিল্পীরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই মুখোশ শিল্পের উপরেই নির্ভরশীল মুখোশ শিল্পীদের রুটি রুজি। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের এই চড়িদা গ্রাম মুখোশ গ্রাম নামেই পরিচিত। এখানে প্রতিটি ঘরই মুখোশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মুখোশ তৈরি করেই নিজেদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন মুখোশ শিল্পীরা। পলাশ উৎসবের পূর্বে তাদের ব্যস্ততা রয়েছে উর্ধ্ব গগণে। সকাল থেকে রাত ঘরে, সব ঘরে চলছে মুখোশ তৈরির কাজ। এই পলাশের মরশুমে বাড়তি লক্ষ্মীলাভের আশায় রয়েছেন মুখোশ শিল্পীরা।





