কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রটি কংগ্রেসের ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলেই পরিচিত ছিল। ২০০৬ সালে অধীর চৌধুরীর হাত ধরে নির্দল প্রার্থী হয়ে লড়াই। কান্দির তৎকালীন বিধায়ক রাজাবাবু অতিশ চন্দ্র সিংহকে পরাজিত করেছিলেন অপূর্ব সরকার। আর সেই শুরু ।এরপরে ২০১১ সালে ও ২০১৬ সালে কংগ্রেসের দলীয় প্রতীকে লড়াই করে জয়ী হয়ে বিধানসভায় পা রেখেছিলেন অপূর্ব। ২০১৮ সালে ৮ মার্চ কংগ্রেস দল ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগদান। বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ২০১৯ সালে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন লোকসভাতেও। যদিও পরাজিত হন অপূর্ব সরকার। কিন্তু ২০২১ সালে আবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। আর সেই অপূর্ব সরকার বর্তমানে মুর্শিদাবাদ বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের সভাপতি ।আর তাকেই ভরসা করল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কান্দি বিধানসভাতে তাকে পুনরায় প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী করার পর কলকাতা থেকে সটান হাজির হন মুর্শিদাবাদেই। বুধবার সন্ধ্যায় কান্দি বিশ্রামতলাতে মা তারার মন্দিরে এসে প্রণাম করে ও পরে এপিজে আবদুল কালামের মুর্তিতে মাল্যদান করে ২০২৬ সালে ভোটের প্রচার শুরু করলেন। দলীয় কর্মী থেকে সমর্থকরা তাকে ফুলের মালা পড়িয়ে সংবর্ধনা জানান।
advertisement
অপূর্ববাবু বলেন, ‘দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর মানুষের ভরসা রয়েছে। মানুষ উন্নয়ন দেখে ভোট দেবেন। যারা সম্প্রীতির বিরুদ্ধে কথা বলে, মানুষ তাদের বিশ্বাস করে না। বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমি যুদ্ধে নামছি। এই যুদ্ধ জয় করবই। মানুষ আমাদের পাশে আছে। ‘





