১৮ মার্চ নির্বাচন কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানেই স্পষ্ট উল্লেখ, মুর্শিদাবাদের নতুন জেলা শাসক হলেন আর অর্জুন, জেলার নির্বাচনী আধিকারিকও তিনিই। গত ১৪ মার্চ মুর্শিদাবাদের জেলা শাসকের দায়িত্ব নেন সুরেন্দ্রকুমার মীনা। নীতিন সিংহানিয়াকে সরিয়ে সুরেন্দ্রকুমার মিনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৪ মার্চ বহরমপুরে প্রশাসনিক ভবনে নিতীন সিংহানিয়ার কাছ থেকে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেন সুরেন্দ্রকুমার মিনা। তিন দিনের মাথায় ফের জেলা শাসককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। জেলা শাসকের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি দায়িত্বে আসেন অজিত সিং যাদব। সুধীর কুমার নীলাকান্তমকে সরিয়ে মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি করা হল অজিত সিং যাদবকে। ভোটের মুখে এই রদবদলের পেছনে কারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল জেলা জুড়ে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ১৫ মার্চ ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট জারি হয়েছে এবং প্রশাসন এখন পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। সেই ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পর থেকেই দ্রুতগতিতে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন।
advertisement
সূত্রের খবর, ১৩ জন জেলাশাসককে সরানো হয়েছে কমিশনের তরফে। একসঙ্গে ১৩ জন আইএসকে ও বদলি৷ কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ কলকাতার উত্তর ও দক্ষিণ অংশও রয়েছে।






