সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। তবে প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হলেও, এবার তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাইরে থেকে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে! এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: ৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর করুণ পরিণতি! কেতুগ্রামে উদ্ধার ব্যক্তির নিথর দেহ, চাঞ্চল্য এলাকায়
advertisement
স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঠিক আগে কিছু সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এসেছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। সূত্র মারফৎ আরও জানা যাচ্ছে, পুরো বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক টিমকে ডাকা হচ্ছে। উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে রেলের তরফে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মুখ্য জনসংযোগকারী আধিকারিক শিবরাম মাঝির কথায়, কাটোয়া স্টেশনে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটা এই ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং ‘সাবোটাজ’ হিসেবেই দেখছেন তাঁরা। সম্ভবত বড়সড় অন্তর্ঘাত হলেও হতে পারে৷ সূত্রের খবর সিসি ক্যামেরায় কিছু ফুটেজ পেয়েছেন রেলের তদন্তকারি টিম। তদন্তকারিরা এখন সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন। এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি নাশকতার চেষ্টা সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি। তবে ভোরের এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে, আর কাটোয়া স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।






