উদ্যোক্তাদের কথায়, দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আগে এই মেলার জৌলুস কম থাকলেও, বিগত কয়েক বছর ধরে বেশ জাঁকজমকপূর্ণভাবে মেলা চলছে। এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ হল বিশালআকার মিষ্টি। এই বিষয়ে মিষ্টি বিক্রেতা বিশ্বনাথ মোদক বলেন, “এই মিষ্টি তৈরিতে অনেকটা সময় লাগে। এই মিষ্টির স্বাদও আলাদা। দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মিষ্টি কিনতে আসেন। আমাদেরও ভালই বেচাকেনা হয়।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ লম্বায় প্রায় ১০ ফুট! বর্ধমানের সবজি স্টলে দৈত্যাকার মানকচু, সাইজ দেখেই হাঁ সবাই
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত ‘দেবদাস স্মৃতি মেলার’ উদ্বোধন হয়েছে। জানা যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস’ উপন্যাসে উল্লিখিত পার্বতী ওরফে পারোর শ্বশুরবাড়ি এই হাতিপোতা গ্রামে ছিল। সেই উপলক্ষে বিগত ২৬ বছর ধরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে দেবদাস স্মৃতি মেলা চলছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মেলা উদ্যোক্তাদের তরফে রেজাউল ইসলাম মোল্লা বলেন, “এখন আমাদের এই মেলার অন্যতম মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে মিষ্টি। এই মেলায় অনেক অনেক বড় বড় সাইজের মিষ্টি পাওয়া যায়। এছাড়া মেলার আলাদা ঐতিহ্য তো রয়েছেই।” তবে দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে স্মৃতি ও আবেগে মোড়া এই মেলার মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু বিশাল আকার মিষ্টি। এই দৈত্যাকৃতির মিষ্টি দেখতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলা থেকেও অনেকেই আসেন। বহু মানুষ পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য উপহার হিসেবে নিয়ে যান এই মিষ্টি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, অভিনেত্রী সাংসদ সায়নী ঘোষ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা।





