একটা সময়ে সিজগ্রাম, আমলাই, আলুগ্রাম, ভরতপুর পঞ্চায়েত এলাকা ছাড়াও শক্তিপুর থেকে রোগীরা এখানে আউটডোরে চিকিৎসা করাতে আসতেন। তবে ২০০০ সালের পর থেকেই পরিষেবায় ভাটা পড়তে থাকে এবং ২০১০ সালের পর কোনও চিকিৎসক না থাকায় ফার্মাসিস্টই রোগী দেখতেন। শেষমেশ প্রায় দেড় দশক ধরে তালাবন্ধ থাকায় ভবনটি এখন আগাছায় ঢাকা, দেওয়ালে ফাটল ধরেছে এবং মেঝে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়েছে।
advertisement
এমনকি ভবনের বারান্দায় ঠিকাদারের নির্মাণ সামগ্রীও মজুত রয়েছে। স্থানীয় সিজগ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আমির হামজা আক্ষেপের সুরে জানান, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ফের চালু করার জন্য বাসিন্দারা ও পঞ্চায়েত থেকে বারবার স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন করা হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ভরতপুর ১ নম্বর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শীর্ষ চ্যাটার্জী সিজগ্রামে গ্রামবাসীদের বিশেষ অনুরোধে তিনি ওই পরিত্যক্ত দাতব্য চিকিৎসালয়টি পরিদর্শনে যান।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শীর্ষ চট্টোপাধ্যায় জানান, বাসিন্দাদের বারবার আবেদনের ভিত্তিতে এই পরিদর্শন করা হয়েছে এবং এর একটি রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানো হবে। দীর্ঘ দেড় দশক পর স্বাস্থ্য আধিকারিকের এই পদক্ষেপে ফের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু হওয়ার আশায় প্রহর গুনতে শুরু করেছেন কয়েক হাজার মানুষ।





