East Bardhaman News: লম্বায় প্রায় ১০ ফুট! বর্ধমানের সবজি স্টলে দৈত্যাকার মানকচু, সাইজ দেখেই হাঁ সবাই

Last Updated:
East Bardhaman News: ‘১০ ফুটের মানকচু, এটা কীভাবে সম্ভব?’ এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। বিশালাকার এই সবজি দেখে থমকে যাচ্ছেন অনেকেই।
1/5
পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর লোকসংস্কৃতি উৎসব কৃষি ও হস্তশিল্প মেলায় এই বছর সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে সবজির প্রদর্শনী স্টলে রাখা এক বিশালাকার মানকচু। প্রায় দশ ফুট লম্বা এই মানকচু দেখে রীতিমতো চমকে যাচ্ছেন মেলায় আসা মানুষ। এমন ব্যতিক্রমী সবজি প্রদর্শনীতে আসবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি অনেকেই। (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর লোকসংস্কৃতি উৎসব কৃষি ও হস্তশিল্প মেলায় এই বছর সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে সবজির প্রদর্শনী স্টলে রাখা এক বিশালাকার মানকচু। প্রায় দশ ফুট লম্বা এই মানকচু দেখে রীতিমতো চমকে যাচ্ছেন মেলায় আসা মানুষ। এমন ব্যতিক্রমী সবজি প্রদর্শনীতে আসবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি অনেকেই। (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
‘১০ ফুটের মানকচু, এটা কীভাবে সম্ভব?’ এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। কে বা কার হাতেই বা জন্ম নিল এই আশ্চর্য মানকচু? কৌতূহলের উত্তর মিলতেই সামনে আসছে এক অনন্য চাষের গল্প, যা কৃষি প্রদর্শনীতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।
‘১০ ফুটের মানকচু, এটা কীভাবে সম্ভব?’ এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। কে বা কার হাতেই বা জন্ম নিল এই আশ্চর্য মানকচু? কৌতূহলের উত্তর মিলতেই সামনে আসছে এক অনন্য চাষের গল্প, যা কৃষি প্রদর্শনীতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।
advertisement
3/5
এই বিশালাকার মানকচুর চাষ করেছেন নকুল দেবনাথ। পেশায় তিনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। তাঁর বাড়ি পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত উত্তর শ্রীরামপুর বেলতলা এলাকায়। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি ছোট থেকেই চাষের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল বলে জানান তিনি।
এই বিশালাকার মানকচুর চাষ করেছেন নকুল দেবনাথ। পেশায় তিনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। তাঁর বাড়ি পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত উত্তর শ্রীরামপুর বেলতলা এলাকায়। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি ছোট থেকেই চাষের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল বলে জানান তিনি।
advertisement
4/5
নকুল দেবনাথ বলেন, “ছোটবেলা থেকেই চাষের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। বাড়িতে নিজের খাওয়ার জন্যই টুকটাক চাষ করি। সেই ভাবনা থেকেই এই মানকচু লাগিয়েছিলাম। তবে ইচ্ছা ছিল, একদিন কৃষি প্রদর্শনী স্টলে আমিও নিজের চাষ করা সবজি রাখব। সেই লক্ষ্যেই ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে যত্ন করে এই মানকচু বড় করেছি। কখনও কেটে ফেলার ইচ্ছা হয়নি। সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতেই চাষ করেছি। আজ সবাই এটা দেখে আনন্দ পাচ্ছেন, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
নকুল দেবনাথ বলেন, “ছোটবেলা থেকেই চাষের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। বাড়িতে নিজের খাওয়ার জন্যই টুকটাক চাষ করি। সেই ভাবনা থেকেই এই মানকচু লাগিয়েছিলাম। তবে ইচ্ছা ছিল, একদিন কৃষি প্রদর্শনী স্টলে আমিও নিজের চাষ করা সবজি রাখব। সেই লক্ষ্যেই ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে যত্ন করে এই মানকচু বড় করেছি। কখনও কেটে ফেলার ইচ্ছা হয়নি। সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতেই চাষ করেছি। আজ সবাই এটা দেখে আনন্দ পাচ্ছেন, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
advertisement
5/5
এই প্রসঙ্গে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের কৃষি আধিকারিক আবির মহন্ত বলেন, “এটি অত্যন্ত ভাল ও উৎসাহব্যঞ্জক বিষয়। একজন চাষপ্রেমী মানুষের নিষ্ঠা ও ধৈর্যের ফল হিসেবে এই ধরনের সাফল্য সত্যিই অভিনব। এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।” (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
এই প্রসঙ্গে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের কৃষি আধিকারিক আবির মহন্ত বলেন, “এটি অত্যন্ত ভাল ও উৎসাহব্যঞ্জক বিষয়। একজন চাষপ্রেমী মানুষের নিষ্ঠা ও ধৈর্যের ফল হিসেবে এই ধরনের সাফল্য সত্যিই অভিনব। এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।” (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement