শিবরাত্রির আগে থেকে শুরু করে দোল উৎসব পর্যন্ত বড় মহাকালের পথ খোলা থাকে। বছরের এই সময় পুন্যর্থীদের ঢল নামে এই রাস্তায়। তবে শিবরাত্রির ৩-৪ দিন স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষ থেকে ভান্ডারা চললেও তারপর তা বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা তখন থেকে শুরু হয়। পাহাড়ের কঠিন রাস্তায় ভারি ব্যাগ নিয়ে যাতায়াত মুশকিল হয়ে পড়ে। ফলে খাবার না নিয়েই পাহাড়ি পথে পাড়ি দেন পর্যটকরা। অনেকটা পথ চলতে গিয়ে খিদে পায় পর্যটকদের। তাঁদের এই অসুবিধার কথা মাথায় রেখে লেপচাখা থেকে এই এলাকায় চলে আসেন ওয়াংদি ডুকপারা। বসায় দোকান।
advertisement
জয়ন্তী মহাকালের রাস্তায় ওয়াংদিদের দোকান
তাঁদের দোকানে যেমন মেলে প্যাকেটজাত খাবার তেমনই পাওয়া যায় ম্যাগি, আলুর দমের মতো খাবারও। মহাকালের পথেই রয়েছে তাদের এই দোকান। ওয়াংদি ডুকপা এবং তাঁর স্ত্রী দোকানটি চালান। তবে তাঁরা পর্যটকদের জানিয়ে দেন, যাতে খাবার খেয়ে প্যাকেট, প্লেট তাঁদের দোকানের সামনে রাখা ডাস্টবিনে ফেলে দেন সবাই। জয়ন্তী পাহাড়ের সৌন্দর্য নষ্ট হতে দিতে চান না তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ওয়াংদি ডুকপা জানান, “প্রতি বছর এই সময়েই এক মাসের জন্য আমরা পাহাড় থেকে নেমে আসি। পর্যটকরা এবং ভক্তরা অনেক দূর থেকে আসেন। তাঁদের সহায়তা করার জন্য আমরা চেষ্টা চালাই। তবে প্রকৃতি দেখতেই তো আসেন সকলে তাই সকলের কাছে অনুরোধ রাখি নোংরা এদিক ওদিক না ফেলানোর জন্য।”





