মূলত কৃষি কাজের মতো মাছ চাষেও ভাল ফলনের জন্য সারের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে পুকুরের মাটি ও জলের গুণাবলী নষ্ট হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গোবর, মুরগির মল, শুয়োরের মল, অ্যাজোলা, কচুরিপানা সার, কেঁচো সার, সর্ষের খোল ইত্যাদি পুকুরে দেওয়া যায়।
আরও পড়ুন: দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে প্রশাসনের বড় পরিকল্পনা! দেখে নিন দিঘায় কী বদল আসতে চলেছে
advertisement
যে জৈব সারই প্রয়োগ করা হোক না কেন, মাছের ভাল ফলন পেতে হলে এক বছরে এক বিঘা পুকুরে ১১ কেজি নাইট্রোজেন ও ৫ কেজি ফসফেট জোগান দিতে হবে। এর বেশি হয়ে গেলে আবার পুকুরের জল দূষিত হয়ে ঘন সবুজ রঙের হয়ে যায়, মাছের শরীরের ভেতর চাপের সৃষ্টি হয়, জলে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়, মাছের ক্ষুধামন্দ হয়। যার জেরে মাছের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: কাঁথা স্টিচের কাজের স্বীকৃতিতে পদ্মশ্রী পেলেন তকদিরা বেগম! তাঁর লড়াই অনেকের অনুপ্রেরণা
তাই কোন জৈব সার কতটা দিতে হবে তা জানা জরুরি। মূলত এক বিঘা পুকুরে এক মিটার গভীরতার জন্য এক বছরে মোট ১০০০ কেজি গোবর প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু মহুয়া খোল পুকুরে দেওয়া থাকলে ৬৫০ কেজিই যথেষ্ট। পুকুরের জলে ছিটিয়ে দিলে মাছ গোবরের মধ্যেকার অপাচ্য খাদ্যাংশ খেয়ে নেয়। বাকিটা পুকুরে সার হিসাবে যুক্ত হয়।
সুমন সাহা





