ব্লাড ব্যাঙ্ক চালু হওয়ার পরেই বহু মানুষ এগিয়ে এসে রক্তদান করেন, যা ভবিষ্যতের জরুরি চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চয় হিসেবে বিবেচিত হবে। হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, এখন থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিয়মিত রক্তদান শিবির আয়োজন করতে পারবে। এর ফলে রক্তের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা সহজ হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
advertisement
চিকিৎসকদের মতে, এই ব্লাড ব্যাঙ্ক চালু হওয়া স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক বড় পরিবর্তন আনবে। এতদিন দুর্ঘটনা বা গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় রক্তের জন্য রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করতে হত, যা সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এখন একই হাসপাতালে রক্তের ব্যবস্থা থাকায় দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যাবে, ফলে রোগীদের জীবনরক্ষার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়বে।
আরও পড়ুন-মাত্র ১৫ বছরে পর্ন সাইটে জাহ্নবী ! বন্ধুদের ফোনে নিজেকে দেখেই শিউরে ওঠেন শ্রীদেবী কন্যা, তারপরই…
স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, শান্তিপুর ও আশেপাশের এলাকার মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সব মিলিয়ে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সূচনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।





