South 24 Parganas News: ভাঙড় থেকে বারুইপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রা! মনোনয়নে শক্তি প্রদর্শন নওশাদের
- Reported by:Suman Saha
- local18
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
নওশাদের, মনোনয়নে শক্তি প্রদর্শন
শনিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক ময়দানে নজরকাড়া শক্তি প্রদর্শন করলেন ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী। ভাঙড় থেকে বারুইপুর পর্যন্ত দীর্ঘ শোভাযাত্রা করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বারুইপুরের এসডিও অফিসে পৌঁছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। মিছিল ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, পাশাপাশি রাজনৈতিক উত্তেজনাও ছিল যথেষ্ট। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “২০২১ সালে মানুষের ভোট নিয়ে আমরা বিধানসভায় গিয়েছি। গত পাঁচ বছর ধরে বিধানসভায় সক্রিয়ভাবে কাজ করেছি। আজ মানুষের সমর্থন আরও বেশি করে আমাদের দিকে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি এবারও আমরা জয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরব। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২১ সালের নির্বাচন ছিল অত্যন্ত কঠিন লড়াই। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে বলে দাবি তাঁর। তাঁর কথায়, “গতবার লড়াই ছিল টাফ। কিন্তু এবারের লড়াই তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। কারণ বিরোধীরা এখন বিভক্ত। বিজেপি ও তৃণমূল এই দুই শক্তির মধ্যে যে আলাদা অবস্থান দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে মানুষ বুঝে গেছে বিষয়টা। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
ভাঙড় অঞ্চলে আইএসএফের অবস্থান আরও মজবুত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে একজোট হয়েছে বলে তাঁর দাবি। মুসলিম, খ্রিস্টান থেকে শুরু করে ওবিসি সব সম্প্রদায়ের মানুষ এখন বিকল্প শক্তির দিকে তাকিয়ে আছে বলেই মনে করছেন তিনি। মানুষ আর পুরনো প্রতিশ্রুতিতে ভরসা করছে না, তারা পরিবর্তন চায়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
এ বারের নির্বাচনে ‘ডাবল মার্জিনে’ জয়ের আশাবাদী ব্যক্ত করেন আইএসএফ প্রার্থী। তাঁর মতে, মানুষের যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। মাঠে-ময়দানে যে সমর্থন দেখছি, তাতে আমরা নিশ্চিত ফল আমাদের পক্ষেই যাবে।তবে শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রচার নয়, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা নিয়েও সরব হন তিনি। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
বিশেষ করে ‘হিংসা’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁর বক্তব্য, “আজকাল খুব সহজেই ‘হিংসা’ শব্দটা ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু হিংসা কাকে বলে? কয়েকজন মানুষ যদি নিজেদের দাবি নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেন, সেটাকে কি হিংসা বলা যায়? এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। তিনি অন-ক্যামেরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যদি সত্যিই কোথাও হিংসা হয়ে থাকে, তাহলে তার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হোক। কোথায়, কখন, কীভাবে ঘটনা ঘটেছে মানুষকে দেখানো হোক। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)







