advertisement

Weekend Trip: দেখা মিলবে বিরল প্রাণীর, বক্সা এলে চুনিয়া জঙ্গল সাফারি মাস্ট! কেন জানেন?

Last Updated:
Weekend Trip: নিরিবিলি স্থান পছন্দ তাহলে বক্সার আরও এক জনপ্রিয় জঙ্গল সাফারি চুনিয়া ওয়াচ টাওয়ার আপনার অন্যতম পছন্দের স্থান হবেই। বক্সা টাইগার রিজার্ভের হাতিপোতা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত চুনিয়া জঙ্গল সাফারি। হাতি, লেপার্ড, ইন্ডিয়ান ঢোল এবং বাইসনের স্বর্গভূমি বলা চলে। 
1/5
*আলিপুরদুয়ার, অনন্যা দে: নিরিবিলি স্থান পছন্দ তাহলে বক্সার আরও এক জনপ্রিয় জঙ্গল সাফারি চুনিয়া ওয়াচ টাওয়ার আপনার অন্যতম পছন্দের স্থান হবেই। বক্সা টাইগার রিজার্ভের হাতিপোতা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত চুনিয়া জঙ্গল সাফারি। হাতি, লেপার্ড, ইন্ডিয়ান ঢোল এবং বাইসনের স্বর্গভূমি বলা চলে।
*আলিপুরদুয়ার, অনন্যা দে: নিরিবিলি স্থান পছন্দ তাহলে বক্সার আরও এক জনপ্রিয় জঙ্গল সাফারি চুনিয়া ওয়াচ টাওয়ার আপনার অন্যতম পছন্দের স্থান হবেই। বক্সা টাইগার রিজার্ভের হাতিপোতা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত চুনিয়া জঙ্গল সাফারি। হাতি, লেপার্ড, ইন্ডিয়ান ঢোল এবং বাইসনের স্বর্গভূমি বলা চলে।
advertisement
2/5
*জয়ন্তী ফরেস্ট চেকপোস্ট থেকে ১১ কিলোমিটার নদী কেন্দ্রিক রাস্তায় এই সাফারিটি হয়। সাফারির প্রথমে পড়বে ভুটিয়াবস্তি নজর মিনার। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য, যা আপনাকে চনমনে করে তুলবে।
*জয়ন্তী ফরেস্ট চেকপোস্ট থেকে ১১ কিলোমিটার নদী কেন্দ্রিক রাস্তায় এই সাফারিটি হয়। সাফারির প্রথমে পড়বে ভুটিয়াবস্তি নজর মিনার। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য, যা আপনাকে চনমনে করে তুলবে।
advertisement
3/5
*টাওয়ার থেকে হাতি,- বাইসন হরিণের জল খাওয়ার দৃশ্য আপনার চোখ জুড়িয়ে দেবে। ভুটিয়াবস্তি নজর মিনারকে পিছনে ফেলে গভীর অরণ্যের পথ ধরে চলতে থাকা বাজে খোলার দিকে। চারিদিকে বন্য নিস্তব্ধতা ও বন্যপ্রাণীর দেখার প্রতিক্ষা আপনাকে বক্সা বনের গভীরতার অনুভব করিয়ে দেবে।
*টাওয়ার থেকে হাতি, বাইসন হরিণের জল খাওয়ার দৃশ্য আপনার চোখ জুড়িয়ে দেবে। ভুটিয়াবস্তি নজর মিনারকে পিছনে ফেলে গভীর অরণ্যের পথ ধরে চলতে থাকা বাজে খোলার দিকে। চারিদিকে বন্য নিস্তব্ধতা ও বন্যপ্রাণীর দেখার প্রতিক্ষা আপনাকে বক্সা বনের গভীরতার অনুভব করিয়ে দেবে।
advertisement
4/5
*বাজে খোলার প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রওনা দেওয়া যাবে চুনিয়া টাওয়ারের দিকে, সঙ্গে দু-চোখ গভীর অরণ্যের ফাঁকে খুঁজতে থাকবে বন্যপ্রাণীদের। চলার পথে সুগন্ধি কোনও বনজ ফুলের ঘ্রাণে হৃদয়ে আলোড়ন জাগাবে।
*বাজে খোলার প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রওনা দেওয়া যাবে চুনিয়া টাওয়ারের দিকে, সঙ্গে দু-চোখ গভীর অরণ্যের ফাঁকে খুঁজতে থাকবে বন্যপ্রাণীদের। চলার পথে সুগন্ধি কোনও বনজ ফুলের ঘ্রাণে হৃদয়ে আলোড়ন জাগাবে।
advertisement
5/5
*চুনিয়া এই সাফারিটি একটু চা বাগানের নিকটে অবস্থানের জন্য আচমকা নিস্তব্ধতা ভেঙে বেজে উঠতে পারে আপনার মুঠোফোন। তাই যখনই জঙ্গলে যাবেন মুঠোফোন সাইলেন্ট এবং ক্যামেরার ফোকাস বন্ধ করে নিতে ভুলবেন না। ওয়াচ-টাওয়ারে বসে সময় কাটিয়ে নিজেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাক্ষী রেখে আবার একই পথে আবার রওনা দেবেন।
*চুনিয়া এই সাফারিটি একটু চা বাগানের নিকটে অবস্থানের জন্য আচমকা নিস্তব্ধতা ভেঙে বেজে উঠতে পারে আপনার মুঠোফোন। তাই যখনই জঙ্গলে যাবেন মুঠোফোন সাইলেন্ট এবং ক্যামেরার ফোকাস বন্ধ করে নিতে ভুলবেন না। ওয়াচ-টাওয়ারে বসে সময় কাটিয়ে নিজেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাক্ষী রেখে আবার একই পথে আবার রওনা দেবেন।
advertisement
advertisement
advertisement