২৯ মার্চ বকখালির পাতিবুনিয়া সৈকতে প্রথম এই পাখি দেখতে পান পাখিপ্রেমী সন্দীপ দাস। তবে তার পায়ে কোনও ট্যাগ ছিল না। এর দু’দিন পরে অন্য এক পাখিপ্রেমী একই জায়গায় দ্বিতীয় একটি পাখির দেখা পান। এই পাখির ডান পায়ে একটি হালকা সবুজ রঙের ট্যাগ লাগানো ছিল। সেই ট্যাগের সূত্র ধরেই পক্ষী বিশেষজ্ঞরা পাখিটির দীর্ঘ যাত্রাপথের হদিশ পান। বর্তমানে সারা বিশ্বে এই প্রজাতির ৫০০টিরও কম পাখি বেঁচে আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
পরিযায়ী পাখির এই দীর্ঘ যাত্রাপথকে বিজ্ঞানীরা ‘ইস্ট এশিয়া-অস্ট্রালেশিয়ান ফ্লাইওয়ে’ বলে চিহ্নিত করেছেন। রাশিয়ার উত্তর-পূর্ব দিকে এই পাখিদের প্রজনন স্থল। এদের গতিবিধি নজর রাখার জন্য পায়ে রঙিন ট্যাগ লাগানো হয়। ট্যাগের রং দেখে বোঝা যায় পাখিটি বন্য পরিবেশে জন্মেছে, না তার ক্যাপটিভ ব্রিডিং হয়েছে। হালকা সবুজ ট্যাগ মানে হল এই পাখি বন্য পরিবেশে জন্মেছে।
অন্যদিকে সাদা রঙের ট্যাগ থাকলে বোঝা যায় সেটিকে খাঁচায় বড় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হলুদ ট্যাগ ব্যবহার করা হয় মাঝপথে বিশ্রাম নেওয়া পাখিদের চিহ্নিত করতে। এই পাখিদের উপর নজরদারি চালায় একটি আন্তর্জাতিক টাস্ক ফোর্স।






