একত্রিত হয়ে এভাবে সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পেরে অনেকটাই খুশি এঁদের একাংশ। এছাড়াও বহু সাধারণ মানুষও তাঁদের পাশে এসে দাঁড়াতে শুরু করেছেন ইতিমধ্যে। এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পেরে অনেকেই খুশি হয়েছেন। এই উদ্যোগ গ্রহণ করা তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের মধ্যে একজন পিঙ্কি বলেন, "ছোটবেলা থেকেই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সমাজের নানান কটুক্তির মুখে পড়তে হয়। সেজন্য তাঁরা ছোটবেলা থেকেই সমাজের এবং বাবা-মার ভালোবাসা থেকে অনেকটাই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও তাদের অনেকটাই কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়। তাই এই সমস্ত বাধা বিপত্তি জয় করতেই এবং সমাজের বুকে এক অনন্য নজির গড়ে তুলতে সবাই মিলে তৈরি করছেন একটি অনাথ আশ্রম, একটি বৃদ্ধাশ্রম এবং অনাথ ও দুস্থ শিশুদের জন্য পড়াশোনার জায়গা। এই অভিনব উদ্যোগের কারণে বহু মানুষ ইতিমধ্যে যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন তাঁদের সঙ্গে। তাঁরাও এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে খুশি।"
advertisement
তবে শুধুমাত্র কোচবিহারের মানুষই নয়। কোচবিহারের বাইরে ও উত্তরবঙ্গের মানুষজন ইতিমধ্যে এই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের পাশে এসে দাঁড়াতে শুরু করেছেন। এই মানুষদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শিলিগুড়ির এক বিখ্যাত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। তিনি ইতিমধ্যেই অনেকখানি আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন এই মানুষদের। তার নাম সোনা দেবী। তবে আরও অনেক আর্থিক অনুদানের প্রয়োজন এই সমস্ত সমাজসেবার কাজ করার জন্য। তাই তাঁরা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সকলের কাছে আর্তি জানাচ্ছেন তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য। আগামী দিনে এই কাজ আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
সার্থক পণ্ডিত





