ইন্টারনেটের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে তিনি বিশেষভাবে মাটি প্রস্তুত করেন। কোকোপিট, লাল বালি, সামান্য দোয়াশ মাটি, কীটনাশক, হাড়ের গুঁড়ো ও ভার্মি কম্পোস্ট মিশিয়ে তৈরি করা হয় চাষের উপযোগী মাটি। এরপর বাল্ব লাগিয়ে গাছগুলো প্রথমে ছায়ায় রাখা হয় এবং পাঁচ দিনে একবার করে জল দেওয়া হয়। ১৮ দিন পর গাছগুলো পূর্ণ আলোতে রাখা হয়। এই সময় তাপমাত্রা প্রায় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসায় তা টিউলিপের জন্য খুবই সহায়ক হয়। মাটির আর্দ্রতা প্রায় ৬৫ শতাংশ বজায় রাখা হয়, যার জন্য একটি বিশেষ যন্ত্রও কেনেন তিনি।
advertisement
৩০ দিনের মাথায় গাছে কুঁড়ি আসে এবং বর্তমানে প্রায় ৩৫ দিন বয়সে গাছগুলোতে সুন্দর টিউলিপ ফুল ফুটতে শুরু করেছে। অভিনব বসাক জানিয়েছেন, টিউলিপ ফুল তার বরাবরের প্রিয়। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে কর্মসূত্রে দিল্লি সফরের সময় প্রথম তিনি টিউলিপ ফুল দেখেন। সেখানেই জানতে পারেন, তাপমাত্রা সামান্য নিয়ন্ত্রণ করা গেলে যেকোনও জায়গায় টিউলিপ চাষ সম্ভব।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এরপর কাশ্মীর সফরে গিয়ে টিউলিপ বাগান বন্ধ থাকায় তার আক্ষেপ আরও বেড়ে যায়। সেই থেকেই নিজের উদ্যোগে চাষের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অনলাইনে বাল্ব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে এবং ইন্টারনেটের পরামর্শ মেনে চাষ করেই তিনি এই সাফল্য অর্জন করেছেন। অভিনব বসাকের এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।





