রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫৪৮৩ ডাউন সিক্কিম মহানন্দা এক্সপ্রেস সেভক ও গুলমা স্টেশনের মাঝামাঝি ২০/১ কিলোমিটার পয়েন্টে পৌঁছলে লোকোপাইলট মাধব বর্মন এবং সহকারী লোকোপাইলট চন্দন কুমার রেললাইনের খুব কাছেই একটি হাতিকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা এই এলাকায় মাঝেমধ্যেই বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে, তাই পরিস্থিতির গুরুত্ব দ্রুত বুঝতে পারেন তারা। সঙ্গে সঙ্গেই ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ করেন লোকোপাইলট।
advertisement
ধীর গতিতে ট্রেন এগোতে থাকায় হাতিটি আতঙ্কিত না হয়ে কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে রেললাইন ছেড়ে জঙ্গলের দিকে সরে যায়। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেনটি আবার নির্ধারিত গতিতে চলাচল শুরু করে। রেলকর্মীদের এই তৎপরতা শুধু সম্ভাব্য দুর্ঘটনাই এড়ায়নি, একই সঙ্গে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের দিক থেকেও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সেভক–গুলমা রেলপথটি জঙ্গল সংলগ্ন হওয়ায় এই ধরনের সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। লোকোপাইলট মাধব বর্মন ও সহকারী লোকোপাইলট চন্দন কুমারের মানবিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধির ফলে এদিন একদিকে যেমন ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে, তেমনই রক্ষা পেয়েছে জঙ্গলের একটি নিরীহ প্রাণও। রেলের পক্ষ থেকেও তাদের এই দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।





