নিজের উদ্যোগে শুরু করা এই হ্যান্ড পেইন্টেড শাড়ির কাজ আজ এক বিশেষ শিল্পভুবনে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি শাড়ির নকশায় ফুটে ওঠে লাবনীর কল্পনা, শ্রম ও শিল্পচেতনার পরিচয়। এই কাজের মাধ্যমেই তিনি একদিকে যেমন আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছেন, তেমনই সমাজের অন্যান্য নারীদের কাছেও হয়ে উঠছেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
আরও পড়ুন: দুর্যোগের মাঝেই ভয়াবহ আগুন, দগ্ধ হয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল হাজার হাজার মুরগির! বজ্রপাতে সর্বস্বান্ত মালিক
advertisement
পড়াশোনার পাশাপাশি ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া লাবনীর এই উদ্যোগ ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে গোটা পুরুলিয়া জেলাজুড়ে। তাঁর তৈরি শাড়িতে স্থান পায় বিভিন্ন লোকশিল্প, আধুনিক ডিজাইন এবং গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজড নকশা। মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এই তরুণীর নিষ্ঠা, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং সুলভ মূল্য, সব মিলিয়ে তাঁর শাড়ির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে লাবনী মাঝির তৈরি শাড়ি বিভিন্ন প্রদর্শনী ও সরকারি মেলায় বিক্রি হচ্ছে। এই কাজের মাধ্যমেই তিনি আর্থিক স্বনির্ভরতার পথ সুগম করছেন এবং অন্যদের কাছেও তুলে ধরছেন আত্মনির্ভরতার বার্তা। সবমিলিয়ে, নিজের প্রতিভা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে লাবনী মাঝি শুধু স্বনির্ভরতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তই স্থাপন করেননি, বরং পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছেন।