কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চাষের ফলে একদিকে যেমন জমির লবণের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে, তেমনই কৃষকের আয়ও বাড়ছে। আরও আশার কথা, উৎপাদিত তুলো কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কিনে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা ছাড়াই ন্যায্য দাম পাচ্ছেন চাষিরা। নতুন এই চাষ পদ্ধতিতে খুশি সুন্দরবনের কৃষক সমাজ।
advertisement
আরও পড়ুন: লাল মিষ্টি তেঁতুল চাষে স্বনির্ভরতার সম্ভাবনা, বসিরহাটে নজর কাড়ছে নতুন প্রজাতির গাছ
নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় কৃষি বিশেষজ্ঞদের মত নিয়ে, নোনা জমিতে কার্যত কার্পাস তুলো ফলন করে লাভের মুখ দেখছে কৃষকেরা। আগামী দিনে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বীন করার জন্য এই কার্পাস তুলো অন্যতম ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: সোনা এখন অগ্নিমূল্য ! জেনে নিন এই বাজারেও সস্তায় কীভাবে সোনা কিনবেন ?
বিশেষজ্ঞদের মতে। এই চাষের ফলে একদিকে যেমন জমির লবনের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে তেমনি কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবিঘাতে যদি চাষিরা ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ করে এই চাষের জন্য । চাষ করার পর চাষিরা প্রতি বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা করে উপার্জন করতে পারবে এই কার্পাস তুলো চাষ করে। পরীক্ষামূলকভাবে সুন্দরবন এলাকা ৭০০ থেকে ৮০০ কৃষক এই চাষের সঙ্গে এখন যুক্ত রয়েছে। আগামী দিনে ধীরে ধীরে এই কার্পাস তুলা চাষ ছড়িয়ে পড়বে গোটা সুন্দরবন জুড়ে আশা করা যাচ্ছে। নিমপীঠ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার চাষীদের জীবন জীবিকার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।
সুমন সাহা





