আরও পড়ুনঃ কলেজ রাজনীতি থেকে ‘বিগ লিগ’! মালদহের গাজোলের তৃণমূল প্রার্থী প্রসেনজিৎ আসলে কে?
বুধবার সকালে বারুইপুরের ঐতিহ্যবাহী বিশালাক্ষী মন্দিরে পুজো দিয়ে নিজের প্রচার কার্যত শুরু করেন তিনি। পুজোর পরেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচারের সূচনা করেন। সবুজ রঙে রাঙানো দেয়াল জুড়ে ফুটে উঠতে শুরু করে দলের প্রতীক ও স্লোগান, যা ঘিরে কর্মীদের মধ্যে স্পষ্ট উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও এলাকার সঙ্গে গভীর যোগাযোগই বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান শক্তি। তাই আবারও তাঁকেই প্রার্থী করায় দলীয় কর্মীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।
advertisement
প্রচারের প্রথম দিনেই বিপুল সংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি সেই বার্তাই দিচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। এইদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসী সুরে জানান, “রাজ্যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মানুষ আবারও তৃণমূল কংগ্রেসকেই ক্ষমতায় আনবে। আমরা ২৫০-রও বেশি আসন নিয়ে সরকার গঠন করব। তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, আসন্ন নির্বাচনে বড় জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে শাসক দল।
এদিকে, প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বারুইপুর পশ্চিমে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন দল নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রচার শুরু করে এগিয়ে থাকার কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে, পুজো দিয়ে প্রচারের সূচনা এবং দেওয়াল লিখনের মধ্য দিয়ে বারুইপুর পশ্চিমে নির্বাচনী লড়াইয়ের আবহ তৈরি হয়ে গেল। এখন দেখার, অভিজ্ঞতা ও সংগঠনের জোরে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেন কি না।





