advertisement

TMC Candidate List West Bengal Election 2026: কলেজ রাজনীতি থেকে ‘বিগ লিগ’! মালদহের গাজোলের তৃণমূল প্রার্থী প্রসেনজিৎ আসলে কে?

Last Updated:
TMC Candidate List West Bengal Election 2026: প্রসেনজিৎ দাসের রাজনৈতিক জীবনের শুরু মালদা কলেজে ছাত্র রাজনীতির হাত ধরেই। প্রথমে মালদা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির পদে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেন।
1/6
কলেজ জীবনের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা। সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব সামলে অবশেষে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হলেন মালদহের যুব নেতা প্রসেনজিৎ দাস। তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে গাজোল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ঘোষণা করতেই শুরু হয়েছে জোরদার প্রচার। নাম ঘোষণা হওয়ার পরই খোলা গাড়িতে এলাকাজুড়ে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
কলেজ জীবনের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা। সংগঠনের বিভিন্নস্তরে দায়িত্ব সামলে অবশেষে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হলেন মালদহের যুব নেতা প্রসেনজিৎ দাস। তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে গাজোল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ঘোষণা করতেই শুরু হয়েছে জোরদার প্রচার। নাম ঘোষণা হওয়ার পরই খোলা গাড়িতে এলাকাজুড়ে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ শুরু করেন তিনি।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/6
প্রসেনজিৎ দাসের রাজনৈতিক জীবনের শুরু মালদা কলেজে ছাত্র রাজনীতির হাত ধরেই। প্রথমে মালদা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির পদে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। ধাপে ধাপে দলের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলে তিনি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
প্রসেনজিৎ দাসের রাজনৈতিক জীবনের শুরু মালদা কলেজে ছাত্র রাজনীতির হাত ধরেই। প্রথমে মালদা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতির পদে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। ধাপে ধাপে দলের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলে তিনি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
3/6
রাজনীতির ময়দানে তাঁর প্রথম বড় নির্বাচন ছিল ইংরেজবাজার পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে। ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শহরের রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে জেলার রাজনীতিতেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। পরে ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পুরাতন মালদা টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবেও সংগঠনকে নেতৃত্ব দেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
রাজনীতির ময়দানে তাঁর প্রথম বড় নির্বাচন ছিল ইংরেজবাজার পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে। ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শহরের রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে জেলার রাজনীতিতেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। পরে ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পুরাতন মালদা টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবেও সংগঠনকে নেতৃত্ব দেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
4/6
দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থেকে সাংগঠনিক কাজ করার অভিজ্ঞতা ও যুব নেতৃত্বের ওপর ভরসা রেখেই এবার তাঁকে গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থেকে সাংগঠনিক কাজ করার অভিজ্ঞতা ও যুব নেতৃত্বের ওপর ভরসা রেখেই এবার তাঁকে গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
5/6
প্রচার শুরু করে প্রসেনজিৎ দাস জানান, “দীর্ঘ বছর ধরে এই আসনে শাসক দলের প্রতীক জিততে পারেনি। ফলে এলাকার বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প থেকে মানুষ বঞ্চিত থেকেছে। গাজোলকে পৌরসভায় উন্নীত করা, মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা, ফায়ার ব্রিগেড স্থাপন, উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা এবং বড় শিশু উদ্যান তৈরির মতো বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। গাজোলকে শহরে পরিণত করার জন্য শাসক দলের সমর্থন অত্যন্ত জরুরি। তাই এলাকার মানুষের কাছে আমার আবেদন, জোড়া ফুল প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের সুযোগ দিন।”(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
প্রচার শুরু করে প্রসেনজিৎ দাস জানান, “দীর্ঘ বছর ধরে এই আসনে শাসক দলের প্রতীক জিততে পারেনি। ফলে এলাকার বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প থেকে মানুষ বঞ্চিত থেকেছে। গাজোলকে পৌরসভায় উন্নীত করা, মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা, ফায়ার ব্রিগেড স্থাপন, উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা এবং বড় শিশু উদ্যান তৈরির মতো বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। গাজোলকে শহরে পরিণত করার জন্য শাসক দলের সমর্থন অত্যন্ত জরুরি। তাই এলাকার মানুষের কাছে আমার আবেদন, জোড়া ফুল প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের সুযোগ দিন।”(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
6/6
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় প্রসেনজিৎ দাস। তিনি মালদা জেলা লাইব্রেরির সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পেশায় একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত থাকার জন্যও তিনি জেলার এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় প্রসেনজিৎ দাস। তিনি মালদা জেলা লাইব্রেরির সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পেশায় একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত থাকার জন্যও তিনি জেলার এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement