তাদের দাবি, সাবিনা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত নন। তাই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে নারাজ স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের একটি বড় অংশ। এই নিয়ে সোমবারই পলাশির সিপিআইএম পার্টি অফিসে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের পর আজ কালীগঞ্জের সিপিআইএম প্রার্থীকে নিয়ে প্রচার করেন কর্মী সমর্থকেরা।
advertisement
আরও পড়ুন: দূরত্ব ঘুচল না, বিধানসভার টিকিট পেলেন না ৫ বারের বিধায়ক পার্থ! নাম বাদ প্রাথমিকের মানিকেরও
কালীগঞ্জ বিধানসভায় সিপিআইএম প্রার্থী করা হয়েছে সাবিনা ইয়াসমিনকে, যিনি তামান্না খাতুনের মা। প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের অসন্তোষ সামনে আসে। অভিযোগ, পছন্দের প্রার্থী না হওয়ায় গত মঙ্গলবার পলাশীর দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। তবে সেই বিতর্কের আবহ কাটিয়ে আজ জোরকদমে প্রচারে নামেন প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। দেবগ্রাম স্টেশন, স্থানীয় বাজার এবং যমপুকুর বাজার এলাকায় প্রচার করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
এর আগে তামান্নার মা বলেছিলেন, ‘মেয়ের ন্যায়বিচার ছাড়া আর কিছুই চাই না। সত্যি বলতে, রাজনীতি সম্পর্কে তো কিছু বুঝিও না।’ CPIM কিংবা অন্য কোনও দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাব এসেছিল ভোটে দাঁড়ানোর? এ প্রশ্নের উত্তরে তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘এখনও আমার কাছে এমন কোনও প্রস্তাব আসেনি। প্রস্তাব এলেও আমি রাজি হব কি না, জানি না। কারণ আমি কিংবা আমার পরিবারের রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। যদি কখনও এমন প্রস্তাব আসেও, তাহলে ভাবনাচিন্তা করে দেখব। সে মুহূর্তে আমার মন কেমন থাকবে, তার উপর নির্ভর করে ভেবে দেখব।’ কিন্তু সেই সব সংশয় দূরে সরিয়ে অবশেষে প্রার্থী হলেন তিনি।
