এই প্রসঙ্গে রায়দিঘির বিধায়ক ড: অলক জলদাতা জানিয়েছেন, “এই সার্ভের মাধ্যমে নদীতে কত পলি আছে দেখা হবে। তারপর সেগুলি কেটে তোলা হবে। এই নদী মজে যাওয়ায় দু’রকম সমস্যা হত। শুকনো মরশুমে জল পাওয়া যেত না। উপরন্তু বর্ষায় নদীর জল বেড়ে চাষ ডুবিয়ে দিত। ফলে সারাবছর সমস্যা থাকত। এই কাজের জন্য দীর্ঘদিন চেষ্টা করে সফলতা এসেছে। এবার সাধারণ মানুষজন হাসিমুখে পরের বছর থেকে চাষ করতে পারবেন।”
advertisement
এই খবর শোনার পর এলাকায় খুশির জোয়ার বইছে। কয়েক দশকের সমস্যা সমাধান হবে এবার। নদীর সাতপুকুর অংশে একটি স্লুইস গেট রয়েছে। যেখানে জল আটকে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকে সুতারবাগ নদীর ব্রিজ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১৪.৫০ কিলোমিটার। এই অংশে বর্ষার জল আটকে রাখলে সারাবছর চারটি ব্লকের কৃষিকাজ চলবে। এই নদীতে সবসময় জল সরবরাহ ঠিক রাখার প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রয়োজন মেটাতে শুরু হয়েছে সুতারবাগ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল সংস্কারের কাজ।
জল সরবরাহ ঠিক রাখতে প্রথমে সাত পুকুরে নদীতে তৈরি করা হয়েছিল স্লুইস গেট। তারপরেও নদীতে জল সরবরাহ কমেছে। এর প্রধান কারণ হিসাবে উঠে এসেছে এই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলিতে পলি পড়ে জলধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো ঘটনা। ফলে এই খালগুলি সংস্কার করে নদীতে জল সরবরাহ ঠিক রাখাই এখন সকলের লক্ষ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই খাল সংস্কার নিয়ে মথুরাপুর ১ নং ব্লকের কর্মাধ্যক্ষ সাহানা খাতুন জানিয়েছেন, এই নদী সংস্কার করার জন্য রায়দিঘির বিধায়ক প্রাণপাত করে চেষ্টা করেছেন। স্থানীয়রা জমির কাগজ, প্রধানের ছাড়পত্র সহ সমস্ত কাগজ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে দিয়েছেন। এই কাজ শেষ হলে এলাকায় চাষের ক্ষেত্রে বিপ্লব আসবে। খাল সংস্কারের পর সেখানে একটি স্লুইস গেট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জল বেশি হয়ে গেলে বের করে দেওয়া হবে।






