একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শাহিন আখতারের হাত ধরে চোপড়ায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেও জয় অধরা ছিল বিজেপির। বাজিমাত করেছিলেন তৃণমূলের হামিদুল। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের তুরুপের তাস তরুণ নেতা শংকর।
advertisement
মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ভূমিপুত্র শংকর। গতকাল চোপড়ার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হতেই এলাকায় খুশির আবহ দেখা যায়। কালাগছ এলাকায় বিজেপির কার্যালয়ে ভিড় করেন দলের কর্মী-সমর্থকেরা। পদ্ম প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ও আবির খেলে উল্লাসে মেতে ওঠেন তাঁরা।
চোপড়ার প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পরেই কালাগছ কালী মন্দির ও শনি মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের মানসিক তোড়জোড় শুরু করে দেন শংকর। ‘হামিদুল-দুর্গ’ চোপড়ায় শংকরের মতো তরুণ মুখকে সামনে এনে পদ্ম শিবির বড়সড় চমক দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
হাইপ্রোফাইল চোপড়া কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শংকর। সেই সঙ্গেই তৃণমূল প্রার্থীর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের কথাও বলেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর কথায়, “১০০ শতাংশ লড়াই করব। এখানে চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে।“
