স্থানীয় সূত্রে খবর, তাপস পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন এবং কাজের সূত্রে অসমে থাকতেন। কয়েকদিন আগে তিনি নিজের বাড়ি মগরাহাটে ফিরে আসেন। পরিবারের অভিযোগ, বাড়ি ফেরার পর থেকেই তাপস স্থানীয় কিছু বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে নেশায় জড়িয়ে পড়েন। এই বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ চোপড়ায় বিজেপির বড় চমক! হেভিওয়েট হামিদুলের বিপরীতে তরুণ তুর্কি শংকর, চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের বার্তা পদ্ম প্রার্থীর

advertisement

পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তাপস। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। বহু খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর কোনও হদিশ না মেলায় পরিবারের পক্ষ থেকে মগরাহাট থানায় একটি লিখিত নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়, কিন্তু তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

View More

অবশেষে শুক্রবার গরুহাটা এলাকার একটি ফাঁকা মাঠ থেকে তাপসের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, গলায় প্যান্ট দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেহটি পড়ে ছিল, যা দেখে তাঁদের সন্দেহ এটি একটি পরিকল্পিত খুনের ঘটনা।

advertisement

এই বিষয়ে মৃতের দাদা মানস মণ্ডল জানান, “ভাই অসম থেকে ফিরে এসে কিছু নেশাগ্রস্ত বন্ধুদের সঙ্গে মিশছিল। এরপর থেকেই ওর আচরণে পরিবর্তন আসে। হঠাৎ করে ও নিখোঁজ হয়ে যায়, আর আজ ওর মৃতদেহ পাওয়া গেল।”

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাপসের কয়েকজন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। তাপসের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মগরাহাট থানার পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

advertisement