সমস্যার মূল কারণ, হেলাবটতলা অটো স্ট্যান্ডে বাস দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, বারাসত–ব্যারাকপুর রোডে হেলাবটতলা অটো স্ট্যান্ডে ৮১ নম্বর রুটের বাস যাত্রী তোলার জন্য দাঁড়ালে অটো চালকরা তার প্রতিবাদ করেন। এরপর বাস চালক ও কন্ডাক্টরের সঙ্গে অটো চালকদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বচসা। অভিযোগ, পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়েও পৌঁছয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।
advertisement
এরপর অটো চালকরা একজোট হয়ে বিক্ষোভে সামিল হন এবং যাত্রী পরিষেবা বন্ধ করে দেন। চলতে দেওয়া হয়নি ৮১ নম্বর রুটের বাসও। ফলে রাস্তায় আটকে পড়েন বহু নিত্যযাত্রী। কর্মস্থলগামী মানুষ থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া সবাইকেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অটো চালকদের দাবি, হেলাবটতলায় যেখানে বাস দাঁড়াচ্ছে সেটি অটো স্ট্যান্ড। সেখানে বাস দাঁড়ানো অনুচিত। অন্যদিকে, বাস চালকদের বক্তব্য, যাত্রী তোলার উদ্দেশ্যেই তারা সাময়িকভাবে বাস দাঁড় করান।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাস চালক ও মালিকদের অভিযোগ, এই ধরনের বিরোধের জেরে ইতিমধ্যেই বহু রুটে বাস পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও অটো, কোথাও টোটো চালকদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বাসগুলিকে। উল্লেখযোগ্যভাবে, অটো ও বাস- দুই পক্ষই একই ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও বারবার এই ধরনের সমস্যা কেন দেখা দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে অটো ও টোটোর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় রাস্তায় সংঘাতের পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলে মত যাত্রীদের একাংশের। বিষয়টির সমাধান সূত্র বের করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বারাসত সাংগঠনিক জেলার আইএনটিটিইউসি সভাপতি তথা বারাসত পুরসভার উপপুরপ্রধান তাপস দাসগুপ্ত জানান, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মেটানোর চেষ্টা করা হবে। ব্যারাকপুরের নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা হয়েছে। অন্যদিকে, যাত্রীরা বলছেন, এর জেরে প্রায়ই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের। হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকেই। স্থায়ী সমাধান কবে হবে সেদিকেই এখন তাকিয়ে যাত্রীরা।





