কিশানগঞ্জের খাগড়া এলাকার বাসিন্দা জুহি। ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করেছেন তিনি। বাংলার টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্রী ছিলেন। এবার ইউপিএসসিতে এল বড় সাফল্য।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন জুহির পিতা নিবারণ দাস। সেই আবহেই দিল্লির ইউপিএসসি বোর্ড থেকে জুহির কাছে ডাক আসে। জীবনের অন্যতম কঠিন এই সময়ে ভেঙে না পড়ে ইন্টারভিউ দিতে যান কিশানগঞ্জের কন্যা।
advertisement
জুহির মা অগ্নিকাদেবী বলেন, জুহি এক আত্মীয়ের সঙ্গে দিল্লিতে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিল। পিতৃশোক কাটিয়ে এই পথ অতিক্রম করা তাঁর কাছে যেন ছিল এক অগ্নিপরীক্ষা।
জানা যাচ্ছে, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক সম্পন্ন করার পর সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন কিশানগঞ্জের এই কন্যা। এর আগেও দু’বার ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন। তবে ফাইনাল লিস্টে নাম ওঠেনি। তৃতীয়বারে এল সাফল্য।
রেজাল্ট বেরনোর পর জুহি বলেন, “বাবাকে হারিয়ে সত্যিই ভেঙে পড়েছিলাম। তবে ইন্টারভিউ বোর্ডে যখন বসছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল যেন বাবা পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগাচ্ছে। আমার এই সাফল্য বাবাকে উৎসর্গ করছি”।
