দূরত্বের হিসেবটাও এখন অনেক সহজ। জলপাইগুড়ি থেকে বোদাগঞ্জ প্রায় ২৫-২৭ কিলোমিটার, আর বোদাগঞ্জ থেকে গজলডোবা মাত্র ১০–১২ কিলোমিটার। কিন্তু এতদিন এই রাস্তা বেহাল থাকায় পর্যটকদের অন্তত ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হত। গাড়ি চলত নৌকার মতো দুলতে দুলতে, ঝুঁকি আর সময় নষ্ট ছিল নিত্যসঙ্গী। এক সময় এই রাস্তাই ছিল ডুয়ার্স ও মালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। পরিস্থিতির বদল আনতেই প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বৈকুণ্ঠপুর তথা বোদাগঞ্জ মোড় থেকে গাজলডোবা প্রবেশপথ পর্যন্ত নতুন করে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ। বাকি অংশও দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং মার্চ মাসের মধ্যেই পুরো কাজ শেষ হওয়ার কথা। এ প্রসঙ্গে, জলপাইগুড়ি জেলাশাসক শামা পারভিন জানিয়েছেন, গত বছর থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয় এই রাস্তা নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পথে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এই রাস্তা খুলে যেতে পারে বলেই জানান তিনি। এতে পর্যটকদের অত্যন্ত সুবিধা হবে বলেই আশাবাদী প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ আয়রন, পটাসিয়ামের আকর! কিন্তু সুগারের রোগীরা রোজ কাঁচালঙ্কা খেলে শরীরে কী হয়? জানাচ্ছেন চিকিৎসক
নতুন ঝকঝকে এই সড়ক চালু হলে পর্যটকদের ভ্রমণ হবে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়। শহরবাসীর দৈনন্দিন যাতায়াতে যেমন সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে, তেমনই গতি আসবে ডুয়ার্সগামী যান চলাচলেও। পর্যটন মরসুমের আগেই কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের আশা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবাদে গজলডোবায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে আর তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে স্থানীয় অর্থনীতিতে।





