দূষিত জলের ফলে নদীতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা চরম সমস্যায় পড়েছেন। একসময় এই নদীর ওপর নির্ভর করেই বহু মৎস্যজীবী পরিবার জীবিকা নির্বাহ করত। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে দূষণের কারণে মাছ, জলজ প্রাণী এমনকি পোকামাকড়ও বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই এই মৃত মাছ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। পেটের রোগে ভুগছেন বহু মানুষ।
advertisement
কৃষিকাজেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। নদীর জল পাম্প করে জমিতে দেওয়ায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। গবাদি পশু ও পাখিও এই জল পান করে মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে প্রায় দশ হাজার মৎস্যজীবী পরিবার জীবিকা হারিয়ে অন্যত্র কাজ করতে বাধ্য হয়েছে। চূর্ণী-মাথাভাঙা নদী বাঁচাও কমিটির সম্পাদক স্বপন কুমার ভৌমিক জানান, বিষয়টি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনাল কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ফিল্টার বসানো হয়নি। বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাসও বিধানসভায় বিষয়টি তুলেছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় মৎস্যজীবী রতন বিশ্বাস বলেন, দূষণের কারণে আবার দিনমজুরের কাজ করতে হবে। সমাজসেবী পার্থ প্রতিম স্বর্ণকার জানান, দিল্লি থেকে আসা একটি দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট দেবে। এখন দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে মাথাভাঙা নদী ও নদী-নির্ভর মানুষের জীবন চরম সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা।





