এবার মাশরুম থেকে চা, আটা, আচার বানানোর জন্য খড়গপুর আইআইটির সহায়তা নিল সিএডিসি।মাশরুম বর্তমান সময়ে অন্যতম একটি জনপ্রিয় খাদ্যবস্তু। এর পুষ্টিগুণ অপরিসীম। আবার নিরামিষ খাদ্য তালিকায় থাকায় আমিষ এবং নিরামিষ দুই ধরনের খাদ্য অভ্যাসের মানুষজন মাশরুম খেয়ে থাকেন। মাশরুম ভিটামিন বি, ডি, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ।
advertisement
এছাড়া মাশরুমে কোলিন নামক একটি বিশেষ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, যা পেশীর সক্রিয়তা ও স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে খুবই উপকারী। মাশরুম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এর মধ্যে বিশেষ হল এরগোথিওনিন, যা বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে এবং ওজন কমাতে সহায়ক। মাশরুম শুধু উৎপাদন নয়, এর মার্কেটিং নিয়ে একটি কর্মশালা আয়োজন হয় সিএডিসির উদ্যোগে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর আইআইটির গবেষক ও মাশরুম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম কর্তা।
তমলুকের রাখাল গ্রাউন্ডে সৃষ্টিশ্রী মেলায় এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। যেখানে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ১০০ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালায় মূলত, মাশরুম থেকে কীভাবে চা, আটা ও পাউডার-সহ নানান ধরনের প্রসেস ফুড তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে জোর দেওয়া হয়। যার মূল কারণ হল মাশরুমের সঠিক মার্কেটিং ও ভ্যালু অ্যাডিং।
এ বিষয়ে আইআইটির গবেষক জানান, ” শীতের সময় অনেক মাশরুম উৎপাদন হয়। মহিলারা তা বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে পারেন না। কিন্তু যদি মাশরুমকে প্রসেস করে মার্কেটিং করা যায় তাহলে তাতে ভ্যালু অ্যাডেড হয়। যেমন মাশরুম থেকে আচার, আটা ও চা প্রভৃতি কিছু তৈরি করা যায়। এতে করে মাশরুমের লাইফ বাড়ে এবং সঠিক বিপণন হয়। ফলে উপকৃত হবেন মহিলারা।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমান সময়ে মাশরুম চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এবার সেই মাশরুমে ভ্যালু অ্যাড করে নানান প্রোডাক্ট সারা বছর বাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হল জেলায়। এতদিন সফলভাবে মাশরুম চাষ করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হচ্ছিল দোলন রিংকু পাপিয়া-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মহিলারা। এবার সেই মাশরুম থেকে চা, আটা ও আচার তৈরি করে আরও বেশি লাভবান হবেন ওই মহিলারা। প্রসেস ফুডের মাধ্যমে সারা বছরই পাওয়া যাবে মাশরুম। গবেষকের দাবি, প্রসেস করা হলেও মাশরুমের পুষ্টিগুণ কোন অংশে কম হবে না।





