সর্পগন্ধা, বাসক, ব্রাহ্মী, স্টিভিয়া, তুলসী, থানকুনি, নিশিন্দা-সহ একাধিক প্রজাতির ভেষজ উদ্ভিদের চারা বিতরণ করা হয়। শুধু চারা বিতরণই নয়, প্রতিটি গাছের ঔষধি গুণাগুণ, কোন গাছ কোন রোগে কীভাবে উপকারী এবং সঠিক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কেও বিস্তারিতভাবে অবগত করান হয় উপস্থিত মানুষজনকে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভেষজ চিকিৎসা ও আয়ুর্বেদের প্রতি আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। এই প্রসঙ্গে আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডক্টর সুব্রত মাল জানান, “ভেষজ উদ্ভিদ আমাদের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির অমূল্য সম্পদ। নিয়মিতভাবে এই গাছগুলি বাড়িতে চাষ ও সঠিক ব্যবহার করলে বহু রোগের প্রতিরোধ সম্ভব। সাধারণ মানুষকে এই বিষয়ে সচেতন করতেই তাঁদের এই উদ্যোগ।”
advertisement
আরও পড়ুন: বিদায়বেলায় শীত, তবুও ফিরল না ‘হুইসেল ডাক’! নিঃশব্দ বাঁকুড়ার পুয়াবাগান, মন খারাপ সকলের
অন্যদিকে, চারা পেয়ে খুশি গাছপ্রেমী মহম্মদ জুল্লুর রহমান জানান, “আজকাল নানা রোগে মানুষ শুধু ওষুধের দিকেই ছুটছেন। অথচ বাড়ির আঙিনায় কিছু ঔষধি গাছ থাকলেই অনেক সমস্যার প্রাথমিক সমাধান সম্ভব। মেলার মধ্য দিয়ে বিনামূল্যে নামিদামি ঔষধি গাছ দেওয়া হচ্ছে দেখে খুব ভাল লাগল। এই ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভেষজ উদ্ভিদ চাষে যেমন আগ্রহ বাড়বে। তেমনই প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকার বার্তাও আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ আয়ুষ মেলা। যেখানে যেকোনও ব্যক্তি সরাসরি এই ভেষজ উদ্ভিদের চারা বিনামূল্যে পাবেন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আয়ুষ বিভাগের এমন উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন গাছ প্রেমী থেকে সাধারণ মানুষ।





